
দেশজুড়ে বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে। বেশিরভাগ নদ-নদীর পানি কমছে। ফলে ভেসে উঠছে বন্যাকবলিত এলাকার ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। সেই সাথে তীব্র হয়ে উঠছে নদী ভাঙন।
বন্যা পরবর্তী সময়ে কষ্টে দিন পার করছেন কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের মানুষেরা। সবচেয়ে বেশী খাদ্য সংকটে ও বিপাকে পড়েছেন ঘর-বাড়ি ভেসে যাওয়া ও দিনমজুর শ্রেণির পরিবারগুলো। বন্যা দুর্গত এলাকাগুলোতে বেসরকারীভাবে ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও সবাই তা পায়নি। এ অবস্থায় চরাঞ্চলের মানুষ তাকিয়ে আছেন সরকারী পুর্ণবাসন ও খাদ্য সহায়তার দিকে।
এদিকে,মুন্সীগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতিরি উন্নতি হলেও তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে পদ্মা,মেঘনা ও ধলেশ্বরী নদী তীরবর্তি গ্রাম গুলোতে। হুমকিতে পদ্মার তীরবর্তি পানি শোধানাগার। এবারের বন্যায় জেলার ৩৯টি ইউনিয়নে ২৬৫ টি গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে কৃষি জমি,ঘরবাড়ীসহ ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি ভেঙ্গে গেছে মাওয়া -যশলদিয়া সড়ক। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ। দ্রুত সংস্কার করা না গেলে পুরোপুরি যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে বলে ধারনা স্খানীয়দের। এছাড়া হুমকিতে রয়েছে লৌহজংয়ে যশলদিয়ায় পানি শোধানাগার প্রকল্পসহ শতশত বসতবাড়ী ও সরকারি-বেসরকারি স্খাপানা।
এদিকে,সিরাজগঞ্জ যমুনা নদীর পানি অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকায় আবারো বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। গত ২৪ ঘন্টায় হার্ডপয়েন্ট এলাকায় ৪ এবং কাজিপুরে পানি বেড়েছে ৭ সেন্টিমিটার। তবে গতকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় নতুন করে ভোগান্তিতে পড়েছেন পানিবন্দী ৫ উপজেলার চর ও নিম্নাঞ্চলের প্রায় সোয়া ৫ লাখ মানুষ।
অন্যদিকে, মানিকগঞ্জে পদ্মা,যমুনা,কালীগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যার পানি নেমে গেছে।বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নেয়া পরিবারগুলো ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।তবে পানি কমলেও তীব্রস্রোত থাকায় নদীভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।এ পর্যন্ত জেলায় ১২ হাজার ৬শ মিটার ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড।
বাংলাটিভি/শহীদ



