
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার সকল সুব্যবস্থা থাকা স্বত্তেও সরকারি এই হাসপাতালের আশে পাশে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে অসংখ্য ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ প্রশাসনের কোন নজরদারি না থাকায় দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এসব ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় দিন দিন বাড়ছে নিহত আর পঙ্গুত্বের সংখ্যা। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলছে সিভিল সার্জন।
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিতে রয়েছে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। এরপরও স্থানীয় দালাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর অসাধু চিকিৎসক-কর্মচারীদের মাধ্যমে রোগীদের বিভিন্ন ধরণের পরীক্ষা এবং অপারেশন করা হয় ব্যাঙের ছাতার মত গজে ওঠা নিম্নমানের ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।
এতে একদিকে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। অন্যদিকে সাধারণ মানুষ নিম্নমানের ও ভুল চিকিৎসা নিয়ে হচ্ছে প্রতারিত। আর মাঝে মধ্যে ঘটছে প্রাণহানীর ঘটনাও।

গত বছরের জুন মাসে শেষ হয়েছে স্থানীয় বেশকিছু ক্লিনিকের লাইসেন্সের মেয়াদ। মেডিকেল প্রাকটিস এন্ড প্রাইভেট ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি অর্ডিন্যান্স আইন অনুসারে প্রত্যেক ক্লিনিকে রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত আবাসন ব্যবস্থা, প্রতি বেডের জন্য কমপক্ষে ৮০ স্কয়ার ফিট জায়গা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অপারেশন থিয়েটার, প্রয়োজনীয় ঔষধ সংরক্ষণ, সার্বক্ষণিক নিবন্ধিত ডাক্তার, নার্স ও স্টাফ থাকতে হবে।
কিন্তু বাস্তবে এর কোনটাই নেই ব্যক্তিগত চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রগুলোতে। এছাড়া তথাকথিত ভূয়া চিকিৎসকদের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে অনেকে হচ্ছেন প্রতারণার শিকার
তবে এসব অভিযোগ অস্বিকার করছেন ক্লিনিকগুলোর মালিকপক্ষ। ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু এবং দালালদের দৌরাত্মের কথা স্বীকার করে সিভিল সার্জন জানান, দ্রুত দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বর্তমানে পিরোজপুরে ৩৫টি ক্লিনিক ও ৬৬টি নিবন্ধিত ডায়াগনষ্টিক সেন্টার রয়েছে। তবে বেসিরভাগ ক্লিনিকেই নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও যন্ত্রপাতি।
বাংলা টিভি/শহীদ



