
সমাজের প্রান্তিক, অবহেলিত ও পিছিয়েপড়া মানুষদের এগিয়ে নিতে, বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে অনেক সাফল্য অর্জন করেছে বর্তমান সরকার। যার ফলে ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দশ বছরে উপকৃত হয়েছে ৪ কোটি ১৬ লাখেরও বেশি মানুষ। বর্তমানে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ পরিবারকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় নিয়ে এসেছে সরকার।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অবহেলিত, পিছিয়েপড়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। স্বাধীন দেশে সব মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় নিজেকে আমৃত্যু নিয়োজিত রেখেছিলেন তিনি।
বঞ্চিত মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করেই কাজ করছে বর্তমান সরকার। সারাদেশে এখন বয়স্ক-ভাতা কর্মসূচির উপকারভোগীর সংখ্যা ৪৪ লাখ। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী, হিজড়া, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নেও বিভিন্ন যুগোপযোগী কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচির ফলে উপকৃত হয়েছে দেশের ৪ কোটি ১৬ লাখেরও বেশি মানুষ।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু বলেন, ৭৫-এ স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দীর্ঘদিন দেশের প্রান্তিক মানুষেরা সুবিধাবঞ্চিত ছিলেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে তাদের জীবনমান উন্নয়নে জোর দেয়।
হিজড়া, বেদেসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূল স্রোতে সম্পৃক্ত করে দেশের উন্নয়নের ধারায় আরও গতি আনতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নানা পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
দারিদ্র্য নির্মূলের পাশাপাশি, সমতার ভিত্তিতে সমাজ গড়ে তুলতে পারলেই টেকসই উন্নয়ন দৃশ্যমান হবে বলেও মনে করেন তিনি।
আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি



