বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের মাঝেও, এবছর সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। দেশে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, দেশে বৈদেশিক মুদ্রার যে রিজার্ভ রয়েছে, তা দিয়ে আগামী ১০ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।
চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৪ হাজার ৫৬৩ দশমিক ৪৮ মিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স, যা আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী গত জুলাই মাসেই, ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা আর আগস্ট মাসে এর পরিমান ছিল ১ হাজার ৯৬৩ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন ডলার। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের সঙ্গে রফতানি আয়ও বেড়েছে।
তার সঙ্গে যোগ হয়েছে জাইকার ৩০ কোটি ডলারের সহযোগিতা। এ কারণে রির্জাভের পরিমাণ প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।
এদিকে, গত জুন মাসে ১.৮৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। প্রবাসী আয়ের এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকার অন্যতম কারণ, বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোয় সরকারের দেয়া ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা।
করোনা পরিস্থিতিতে বৈদেশিক বাণিজ্যের গতি নিম্নমুখী হলেও, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। এর আগে ২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর, দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার হয়েছিল।
নাজিয়া আফরিন, বাংলা টিভি



