
ভারতের রপ্তানী বন্ধের খবরে, হঠাৎ করে দুই-তিনদিনে পেঁয়াজের কেজি একশো টাকার ধাক্কায়, ক্রেতাদের আগ্রহ কমেছে। তাই বাড়তি লাভের হুজুগে মজুদ করে রাখা পেঁয়াজে পচনের শঙ্কায়, এবার দাম ছাড়তেও শুরু করেছে পাইকার ব্যবসায়ীরা। দেশীয় বাজারেই ভালো যোগান থাকার পরও, সিন্ডিকেটের কারসাজিতে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে, নজরদারি বাড়িয়েছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর।
কদিনে পেঁয়াজের দাম একশো টাকা কেজির পর ক্রেতাদের আগ্রহ কমায় আবার কিছুটা পড়তে শুরু করেছে। বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম নেমেছিলো ৯০ তে। যা আরো ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে বৃহষ্পতিবার বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়।
পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজারে নজরদারি বাড়িয়েছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর। সকালে কারওয়ান বাজারে পেয়াজ বিক্রিতে অনিয়মের কারণে জরিমানা করা হয় কয়েকজন ব্যবসায়ীকে।
বিক্রেতারা দাবি করেন, সিন্ডিকেটের কারণে বাজার দর চড়া। তাদের কিছু করার ছিলো না। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, অনেকে আতঙ্কিত হয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পেঁয়াজ কেনার কারণেও বাজারের অস্থিরতা বেড়েছে। তাই আপাতত, পেঁয়াজ না কেনারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কেউ কেউ। এ অবস্থায় পচনের মুখে, মুজদ করা পেয়াজ গতকালের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে ছেড়ে দিচ্ছেন কোন কোন বিক্রেতা। নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্য পেয়াজের বাজার স্বাভাবিক রাখতে ক্রেতা-বিক্রেতা সবারই সর্তক থাকার আহবান সংশ্লিষ্টদের।
বাংলাটিভি/শহীদ



