দেশবাংলা

ছাত্রাবাসে অপরাধ-আধিপত্য বন্ধে, নজরদারি বাড়ানোর দাবি

এমসি কলেজের ছাত্রবাসে অপরাধ প্রবণতা বহু পুরোনো। ২০১২ সালে ছাত্রলীগ কর্মীরা ছাত্রবাস পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনার বিচার হয়নি। অভিযোগ আছে, উল্টো ছাত্রবাস মেরামতের দায়িত্ব দেয়া হয় ছাত্রলীগের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে।

মেরামতের পর সেখানে ছাত্রলীগের কক্ষ নামে গড়ে ওঠে অপরাধ-আধিপত্যের আস্তানা। সম্প্রতি ছাত্রাবাসে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশের অভিযানে অস্ত্রও জব্দ করা হয়। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করে, কলেজ কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে এসব প্রশ্রয় পাচ্ছে তারা।

সিলেটে মুরারিচাঁদ কলেজের ছাত্রবাসে ছাত্রলীগের অপরাধ-আধিপত্যের বিচরণ দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি তরুনী ধর্ষণ, আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযানে সেখানে অস্ত্র পাওয়ার পর আরো সামনে আসে ভেতরের খবর।

এদিকে, এমসি কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে, সীমানা প্রাচীর না থাকা ও নানা চাপের কারণে ছাত্রবাসে নিয়মিত নজরদারি রাখা সম্ভব হয় না। আর বিচারহীনতার কারণে এই ছাত্রাবাসে একের পর এক অপরাধ কর্মকান্ড ঘটছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

সিলেট আদালতের সাবেক পিপি এমাদুল্লাহ শাহিন বলেন, এমসি কলেজের পূর্বের ঘটনার বিচার না হওয়ায় ছাত্রবাসে আধিপত্য দেখানোর প্রবণতা বেড়েছে।

তবে সাম্প্রতিক ধষর্ণের ঘটনার দোষীদের আইনের আওতায় আনতে সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে প্রশাসন জানালেন, সিলেট এসএমপির উপ পুলিশ কমিশনার জ্যোর্তিময় সরকার। আর ছাত্রাবাসে কলেজ কর্তৃপক্ষের নরজদারি বাড়ানোর দাবি স্থানীয়দের।

কাইয়ুম উল্লাস, বাংলা টিভি, সিলেট

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button