দেশবাংলা

সেতুটির বেহাল দশায় বিপাকে দুই গ্রামের মানুষ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নের ইন্দ্রকুল গ্রামের মীরাবাড়ি সংলগ্ন দোয়ানীর খালের উপর স্থাপিত সেতুটির বেহাল দশা। সম্প্রতি মাল বোঝাই একটি টমটম গাড়ি ঝুকিপূর্ণ সেতুটির উপর দিয়ে যাওয়ার সেতুটির একটি অংশ নিয়ে গাড়িটি ভেংঙে পড়ে। একারণেই দুই গ্রামের সাধারণ মানুষসহ স্থানীয় শিক্ষার্থীদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে আসা যাওয়া করতে হয়।

সুত্রে জানা গেছে, ১৯৯৮ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালী জেলা অফিস সূর্যমনি ইউনিয়নের ইন্দ্রকুল গ্রামের মীরাবাড়ি সংলগ্ন দোয়ানীর খালের সেতুটি নির্মাণ করেন। সেতুটির দুই পাশে রয়েছে দক্ষিন ইন্দ্রকুল ও উত্তর ইন্দ্রকুল গ্রাম। দুই গ্রামে বসবাস করে প্রায় দুই সহশ্রাধিক মানুষ।

উত্তর ইন্দ্রকুল গ্রামে রয়েছে ইন্দ্রকুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ইন্দ্রকুল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। দক্ষিন ইন্দ্রকুল গ্রামের রয়েছে, ইন্দ্রকুল আকবারিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় জন সাধারনের যাতায়াতের অন্যতম পথ এ সেতুটি।

সরজমিনে দেখা যায়, লোহাল এ্যাঙ্গেল ও সিমেন্টর পাটাতন নির্মান করা হয়েছে সেতুটি। সেতুটির মাঝামাঝি অংশের পাটাতন ভেংেগ পড়ে গেছে। বাঁকা হয়ে গেছে সেতুটির লোহার তৈরী কাঠমো। দির্ঘ বছর ধরে কোন প্রকার সংস্কার না করার কারনে লোহার কাঠমোতে মরিচা ধরে যাওয়ায় সেতুটি ঝুকি পূর্ণ হয়।

স্থানীয় সমাজ সেবক নুরুল ইসলাম সোহেল বলেন, গত ২০ সেপ্টম্বর ঝুকিপূর্ণ এই সেতুটি দিয়ে ধান বোঝাই একটি টমটম গাড়ি পাড়াপাড় করতে গেলে সেতুটির পাটাতন নিয়ে গাড়িটি ভেংগে পড়ে। এরপড় থেকে সেতুটির বেহাল দশা। জন গুরুত্ব পূর্ণ এই সেতুটি দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মানের দাবী জানান।

ইন্দ্রকুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান বলেন, সেতুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ। করেনাকালীন ছুটি শেষ হয়ে যাওয়ার কারনেই সেতুটি নির্মানের দাবী জানান তিনি।

উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্বাস উদ্দিন বলেন, সেতুটি পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্মাণ করলেও সেতুর দায়িত্বে তারা নাই। সেতুটি জন গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে নির্মানের জন্য আমাদের মাধ্যমেই প্রস্তাব পাঠানো হবে। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজটি শুরু করা যাবে।

কৃষ্ণ কর্মকার, বাউফল প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button