প্রধানমন্ত্রীবাংলাদেশ

দেশের পানিসম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার

প্রায় ২৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজধানীর গ্রিন রোডে ১২ তলা-বিশিষ্ট নবনির্মিত ‘পানি ভবনের’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পানি ভবনের উদ্বোধন করেন তিনি।

 ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘পানি ভবনের’ ভিত্তি-প্রস্তর স্থাপন করেন। জলবায়ুর বিরূপ পরিবর্তনে উদ্ভূত নানা দুর্যোগ মোকাবিলাসহ শতবর্ষী ডেল্টাপ্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে যুগোপযোগি ও আধুনিক কর্মপরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে নীতি-নির্ধারণী লক্ষ্য নিয়ে ‘পানি ভবন’ প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছিলো। পরে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ও অনুমোদন এবং পরামর্শে ‘পানি ভবন’ নির্মাণ প্রকল্পের পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে যে, ১৯৫৪ এবং ১৯৫৫ সালের ভয়াবহ বন্যার পর জাতিসংঘের অধীনে গঠিত ক্রুগ মিশনের সুপারিশক্রমে সেচ ব্যবস্থা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণসহ পানি সম্পদের উন্নয়ন এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ইপিওয়াপদা) গঠিত হয়। ১৯৭২ সালে ইপিওয়াপদার ‘পানি উইং’ নিয়ে ‘বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড’ (বাপাউবো) নামে স্বতন্ত্র একটি সংস্থা করা হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিজস্ব প্রকৌশলীদের নকশায় প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার বর্গফুটবিশিষ্ট এ ভবন নির্মাণে সময় লেগেছে প্রায় সাড়ে চার বছর। কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পানি ভবনে সোলার প্যানেল, সুয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, রেইন ওয়াটার রিজার্ভয়ারের মতো পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাসহ ৫৩৬ জন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন অডিটরিয়াম, ৪ হাজার ৫০০ বর্গফুটের হেলিপ্যাড, ৩৭৬টি গাড়িপার্কিংসহ অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও রয়েছে। এছাড়া এই কমপ্লেক্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মৃতিবিজড়িত পুকুরটি (২১ হাজার ৪৮৪ বর্গফুট) সংরক্ষণ করা হয়েছে ও ২০ হাজার ৬২৫ বর্গফুটের একটি জলাধার নির্মাণ করা হয়েছে ।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button