নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ

নোয়াখালীতে গৃহবৃধুকে নির্যাতন ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনার রেশ না কাটতেই, এবার বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। একই অভিযোগ রয়েছে কয়েকজন মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধেও। তবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিষয়গুলো ধামাচাপা দেয়ায়, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
একলাশপুরের হাফেজ মহিউদ্দিন তাহফিজুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এতিমসহ সব মিলে ২৫ জন ছাত্র রয়েছে। রয়েছেন প্রধান শিক্ষকসহ চারজন শিক্ষক। চৌমুহনী পৌর এলাকার দিনমজুর সেলিম মিয়া আট বছরের ছেলেকে ১ বছর আগে ওই মাদ্রাসায় ভর্তি করান। সম্প্রতি ছেলের সঙ্গে দেখা করতে তার বাবা মাদ্রাসায় গেলে, শিশুটি জানায় হেফজ বিভাগের দুজন শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন ধরে তাকে যৌন নিরযাতন করে আসছে। এসময় অসুস্থ অবস্থায় তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন অভিভাবকরা।
এর আগে কয়েকজন শিক্ষক, ছাত্রদের সাথে নানা অনৈতিক ও নারী সংঘটিত ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে অভিযোগের পরও, প্রধান শিক্ষকসহ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার শিশুটির মা,বাবা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে গেলেও, তারা কোন ব্যবস্থা না নেয়ায়, আইনের আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানান, শিশুটির অভিভাবকরা। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছেন বলে জানান, মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক।
এদিকে, অভিযুক্ত দুই সিনিয়র ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে বিচারিক আদালতে হাজির করলে, অভিযুক্ত দু’জনই ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেয়। যৌন নিরযাতনে অভিযুক্ত ছিাত্র ও শিক্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা।
বাংলাটিভি/দেশবাংলা



