আন্তর্জাতিকযুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন নতুন নেতৃত্ব বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক

যুক্তরাষ্ট্রে সময় এখন ক্ষমতা পালাবদলের সময়। রিপাবলিকানদের হাত থেকে রাষ্ট্রক্ষমতা যাচ্ছে ডেমোক্রেটদের কাছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট পাল্টানো সাপেক্ষে, বাংলাদেশের সাথে পারষ্পারিক সম্পর্ক এবং সহযোগিতার ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসবে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়ে গেছে নানা আলোচনা।

এদিকে, বিশ্লেষকরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা ইস্যু ও বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জো বাইডেন সরকার ইতিবাচক ভুমিকাই রাখবে।

নির্বাচনে মাপকাঠি উতরে এখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনকে বেছে নিয়েছে মার্কিনিরা। এখন শুধু অপেক্ষা শপথ নিয়ে বিশ্বের সব থেকে শক্তিশালী দেশটির লাগাম হাতে নেয়া। মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির কারণে, ক্ষমতার পালাবদল ঘটলেও বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে তারতম্য হবে না।

তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন ডেমোক্রেট শাসকপক্ষ দেশটি পরিচালনায় এসে মনোযোগ দেবে বিশ্বভাতৃত্ব এবং ঐক্যবোধ।

আন্তজার্তিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ মনে করেন, আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বিষফোড়া রোহিঙ্গা ইস্যু, সারাবিশ্বে ট্রেডমার্ক হিসেবে চিহ্নিত থাকলেও ট্রাম্প সরকারের কাছে মৌখিক আশ্বাস ছাড়া কিছুই মেলেনি। তবে বাইডেন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির কাছে এ সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব পাবে।

আর, জলবায়ু পরিবর্তনে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ কিংবা ব্যবসায় প্রসারে নতুন সরকার আরো ইতিবাচক ভুমিকা পালন করতেই পারে, তবে সেক্ষেত্রে বাংলাদেশকে নিজ থেকে উদ্যোগী হতে হবে বলে মত দিলেন, সাবেক রাষ্ট্রদুত ওয়ালিউর রহমান।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্যান্য দেশের সম্পর্কটাকে একরকম ভিত্তি বলে মনে করা হয়। জো বাইডেন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে শক্তিশালী করার পক্ষে থাকা শুধু বাংলাদেশ নয়, সারাবিশ্বের স্বার্থসংশ্লিষ্টরা লাভবান হতে পারে বলে, আশা করছেন এই দুই বিশ্লেষক।

শাহরিয়ার রাজ, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button