অন্যান্যবাংলাদেশ

নূর হোসেন দিবস, গণতন্ত্র সুসংহতের প্রত্যয়

শহীদ নূর হোসেন দিবস আজ। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন-সংগ্রামে অবিস্মরণীয় একদিন। ৩৩ বছর আগে এই দিনে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন নূর হোসেন। তার আত্মত্যাগ গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনকে বেগবান করে। পতন হয় স্বৈরশাসনের। দিনটি উপলক্ষে গুলিস্তানে নুর হোসেন চত্বরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন।

১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর তৎকালীন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে হাজারো প্রতিবাদী মানুষের সঙ্গে জীবন্ত পোস্টার হয়ে রাজপথে নেমেছিলেন নূর হোসেন। বুকে-পিঠে উত্কীর্ণ ছিল জ্বলন্ত এক স্লোগান ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অকুতোভয় সেই যুবকের অগ্নিঝরা স্লোগান সহ্য হয়নি তৎকালীন স্বৈরশাসকের। গুলি চালিয়ে ঝাঁঝরা করে করে দেয়া হয়েছিলো অকুতভয় এই যুবকের বুক। তবে নুর হোসেনের রক্তে আরো ফুসে ওঠে গণতন্ত্রকামী আন্দোলন।

স্বৈরশাসক হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রক্ষমতা ছেড়ে দিতে ব্যাধ্য হন। দিনটি উপলক্ষে সকালে রাজধানী গুলিস্তানে নূর হোসেন চত্বরে শ্রদ্ধা জানান রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, গণতন্ত্রের বিকাশের সবাইকেই ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে, সেইপথে বিএনপি একটি বাঁধা হিসেবে আচরণ করছে।

আর সরকার গণতন্ত্রের নামে একদলীয় স্বৈরশাষন কায়েম করেছে, বলে অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান।

গণতান্ত্রিক পরিবেশ ধরে রাখতে পারলে, শহীদ নূর হোসেনের আত্মদান সফল হবে বলে মনে করেন শ্রদ্ধা জানাতে আশা তার সহদর আলী হোসেন। তবে আগামীতে দেশের গণতন্ত্র, আরো সুসংহত হোক এটিই সবার প্রত্যাশা।

বুলবুল আহমেদ, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button