অন্যান্যবাংলাদেশ

দারিদ্রতা ঘোচাতে সামাজিক নিরাপত্তার আওতা বাড়ানোর পরামর্শ

দেশে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি শুরু হয় খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে। বর্তমানে সব খাত এগিয়ে গেলেও, সে অনুপাতে বিকশিত হয়নি সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দারিদ্র দুরীকরণে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির আওতা বাড়ানো ও ক্ষুদ্র ঋণসহ বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদানে স্থানীয় সরকারের সংস্থাগুলোকে আরো সক্রিয় হতে হবে। প্রকৃত সুবিধাভোগিরা এসব কার্যক্রমের ফল কতোটা পাচ্ছে?

সামাজিক নিরাপত্তা খাতে স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সরকারের বরাদ্দকৃত বাজেটে সুষম বন্টন কতটুকু সফল? অভিযোগ রয়েছে সরকারের দেয়া টাকা অনেক ক্ষেত্রেই পৌঁছায় না প্রকৃত সুবিধাভোগিদের কাছে। 

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসিবুর রহমান মানিক বললেন বৈষম্য বা একজনের প্রাপ্য অর্থ নয়ছয় করার কোন সুযোগ নেই।

অর্থনীতিবিদ ডক্টর নাজনীন আহমেদ বলেন, অসহায় জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসনের জন্য সরকারের সদিচ্ছা যেমন রয়েছে, তেমনি আছে বাজেটের সীমাবদ্ধতা। আর তাই, সুক্ষ্ম হিসেব করে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলো পরিচালনার পরামর্শ দিলেন তিনি।

আর শতভাগ নির্ভুলভাবে সকল অসহায় ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডেটার কোন বিকল্প নেই বলে মনে করেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন ও সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সিনিয়র সচিব ডক্টর শামসুল আলম।

এদিকে, সরকারের সচিচ্ছায় ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে সরকারী বাজেটে বরাদ্দের পরিমান ক্রমান্বয়ে বেড়েছে। সেইসাথে বেড়েছে উপকারভোগী ব্যক্তির সংখ্যাও। তবে বরাদ্দকৃত অর্থের সুষম বন্টন নিশ্চিতে স্থানীয় সরকারের সংস্থাগুলোকে আরো সক্রিয় হওয়া তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।

শাহরিয়ার রাজ, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button