বাংলাদেশঅন্যান্য

করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে জড়োসড়ো গোটা বিশ্ব

বছর পার হলেও করোনাভাইরাস নিয়ে উৎকণ্ঠা এখনো কমেনি। ভয় কাটতে না কাটতেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় জড়োসড়ো গোটাবিশ্ব। অতীতের রেকর্ড ছাড়াচ্ছে প্রতিনিয়ত। এটি মোকাবিলায় পশ্চিমা দেশগুলোর মত, বাংলাদেশেরও ছিল বিশেষ প্রস্তুতি।

স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাতারাতি পরিস্থিতি পাল্টে ভয়াবহ আকার ধারণ করতেই পারে। তাই গড্ডালিকায় গা না ভাসিয়ে, আবারও স্বাস্থ্যবিধি মানার পক্ষেই জোর তাগিদ দিলেন তারা।

কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ সম্পর্কে এখনো দ্বিধা-দন্দ্বে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। সময়ের সঙ্গে এটি দুর্বল হয়ে পড়বে, নাকি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে; প্রতিষেধক আদৌ মিলবে কি না, বা কবে নাগাদ আসবে, হার্ড ইমিউনিটি আসলেই সম্ভব কি-না ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর এখনো ধোঁয়াশায়।

তবে করোনার বিশ্ব পরিস্থিতি এখনো ভয়াবহ অবস্থায় বিরাজ করছে। সংক্রমণ আর মৃতের সংখ্যা অতীতের রেকর্ড ভেঙ্গে প্রতিনিয়ত তৈরী হচ্ছে নতুন রেকর্ড।  যাকে ২০২১ সালের জন্য অশনিসংকেত মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাবৎ বিশ্বের যখন এ অবস্থা, তখন বাংলাদেশের জন্য সুখবর হলো, এখনও সংক্রমণ বাড়েনি, তবে বেড়েছে মৃতের হার।  আর, জনসমাগম বেড়ে গেলে সংক্রমণও বাড়তে পারে সেই অনুপাতে।

এমনিতেই শীতকালে মানুষের নানা ধরনের ফ্লু, নিউমোনিয়া, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বাড়ে; বাড়ে হাঁপানি বা ব্রংকাইটিসের মত রোগীর সংখ্যাও। শীতে কোভিডসহ অন্যান্য ফুসফুসের সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কাও অমূলক নয়। এ অবস্থায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই বলেই মনে করেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা।

শাহরিয়ার রাজ, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button