বাংলাদেশঅন্যান্য

বিশ্বে দ্রুত রপ্তানি আয় বাড়ার তালিকায় বাংলাদেশ

বিশ্বে দ্রুত রপ্তানি আয় বাড়ার তালিকায় কয়েকটি দেশের একটি বাংলাদেশ। গড় হিসেবে গেলো এক দশক ধরে, দেশের রপ্তানি আয়ে দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ-২০১৯’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্ব বাণিজ্যে বাংলাদেশ এখন ৪২তম বড় রপ্তানিকারক দেশ।

রপ্তানিতে দেশের এই অগ্রযাত্রার সিংহভাগে রয়েছে পোশাক খাত। এটি রপ্তানিতে একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে।

স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে মনোযোগী হবার পাশাপাশি, শিল্পোৎপাদনের দিকে বিশেষ নজর দেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার শতকরা ৭ ভাগের উপরে উঠে গিয়েছিল। অর্থনীতিকে আরও এগিয়ে নিতে নিজের পরিকল্পনা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি তিনি।

দেশের অর্থনীতি রক্ষা এবং রপ্তানি সম্প্রসারণসহ ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেয় আওয়ামী লীগ সরকার। এরই ধারাবাহিকতায়, মুক্তবাজার অর্থনীতি এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বিধি-বিধানের আলোকে দেশীয় শিল্প রক্ষায় যুগোপযোগী আমদানি-রপ্তানি নীতি প্রণয়ন করে আসছে সরকার।

এতে করে একদিকে যেমন দেশীয় শিল্প বিকশিত হচ্ছে; অন্যদিকে, রপ্তানি আয়ও ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বর্তমানে বাংলাদেশের ৭৪৪টি পণ্য ২০০টি গন্তব্যে রপ্তানি হচ্ছে।  ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রেকর্ড ৪০ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী জানান, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও রপ্তানি খাতের বিকাশে বেসরকারি খাত উন্মুক্ত করাসহ বিশেষ প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার- যা ভূমিকা রাখছে রপ্তানি আয় বাড়াতে। তিনি বলেন, কোভিড-১৯ এর কারণে চলতি অর্থবছরের প্রথমদিকে রপ্তানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়লেও, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে রপ্তানি আয় আবারও ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে।

করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে ২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ৪৮ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করেছে সরকার। সব আশঙ্কা কাটিয়ে এ লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন সম্ভব হবে বলে আশা করছেন, সংশ্লিষ্টরা।

আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button