বাংলাদেশঅন্যান্য

প্রণোদনার ফলেই প্রবাসী রেমিটেন্সে অগ্রগতি

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের তাণ্ডবের মধ্যেও গত জুলাই মাসে দেশে ২৬০ কোটি মার্কিন ডলারের রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। ইতিহাসে একক মাসে আগে কখনো এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈধপথে দেশে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের দেয়া প্রণোদনার ফলেই এ অগ্রগতি।

ধারণা করা হয়েছিল করোনা মহামারীতে স্বাভাবিক রেমিটেন্সের গতিতে আসতে পারে বড় ধাক্কা। আর এ ধাক্কা সামলে উঠতে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতিতে। কিন্তু সবাইকে অবাক করে, দেশের অর্থনীতিতে ঘটেছে তার ‍উল্টোটা।

মধ্যপ্রাচ্যে লকডাউনের পর প্রবাসীরা যে বিপাকে পড়েছিলেন তার রেশ পড়তে শুরু করে মার্চের দিকে। কিন্তু জুন নাগাদ পরিস্থিতি পাল্টে রেমিটেন্সের নতুন রেকর্ড তৈরি হয়। একে নানাভাবে বিশ্লেষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

আমদানি ব্যয়ের চাপ কম এবং দাতা সংস্থাগুলোর সহায়তা ও বিশ্ব সংস্থার অনুদানের কারণে রিজার্ভ বাড়লেও, এতে রেমিটেন্সের অভাবনীয় ভুমিকা ছিল বলে মনে করেন এই অর্থনীতি বিশ্লেষকরা।

অবৈধ পথ বন্ধ করে বৈধপথে দেশে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের ঘোষিত ২ শতাংশ প্রণোদনায় রেমিটেন্সের প্রবাহে আলাদা গতি পেয়েছে বলে মনে করেন, বাংলাদেশে ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম।

এদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, সদ্যসমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট এক হাজার ৮২০ কোটি ৪৯ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ এক লাখ ৫৪ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা।

শাহরিয়ার রাজ, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button