নোয়াখালীতে চায়না বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ ইউনিয়নবাসী

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহীতে, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় তান্ডব চালাচ্ছে চায়না বাহিনী। এ বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ইউনিয়নবাসী। চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন সেখানকার বাসিন্দারা। দ্রুত এ বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতার করে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবী স্থানীয়দের। ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
আব্দুর রাজ্জাক নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের চরএলাহী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর, তার ভাই খোকন, জাব্বার, কালু, উডির চরের শাহিন, বেলাল, হালিমসহ এলাকার কিছু যুবককে সাথে নিয়ে চায়না বাহিনী গঠন করে।
জলে-স্থলে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, জবরদখল এ বাহিনীর নিত্য ঘটনা। তাদের অত্যাচারে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। তাদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই নেমে আসে নির্যাতন। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি চায়না বাহিনীর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেনা ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা।
সম্প্রতি চায়না বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড উড়ির চরের শাহীনের নেতৃত্বে চরএলাহী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আবদুল গণির বাড়ীতে ও চরএলাহী বাজারে তার ছোট ভাইয়ের দুইটি দোকানে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ চায়না বাহিনীর প্রধান রাজ্জাক চেয়ারম্যানকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠালেও বাহিনীর সদস্যরা এখনো সক্রিয়।
চায়না বাহিনীর সদস্যদের হাতে নারী নির্যাতনসহ চাঁদার অভিযোগ করেছেন, স্থানীয়রা। এ বাহিনীর সদস্যদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের নেতারাও। ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের অপরাধের বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন জেলা প্রশাসক।
ইয়াকুব নবী, নোয়াখালী প্রতিনিধি



