
সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে করোনাভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রম। এক হাজারের বেশি হাসপাতালে দেয়া হচ্ছে টিকা। দীর্ঘ প্রত্যাশিত করোনার ভ্যাকসিন পেয়ে সন্তোষ জানিয়েছে সাধারণ মানুষ। টিকা প্রয়োগ শৃঙ্খলা ও নির্বিঘ্ন করতে দায়িত্ব পালন করছে স্বাস্থকর্মীদের ২ হাজার ৪শ’টিম।
মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির প্রত্যাশার এবার দেশব্যাপী শুরু হলো টিকাদান কার্যক্রম। অবশেষ টিকা দিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, প্রান্তিক মানুষেরা।
ময়মনসিংহে মহানগরীসহ জেলার ১৩টি উপজেলায় ১৬টি কেন্দ্রে ৫০টি বুথে টিকা প্রদান শুরু হয় সকালে। দিনভর শৃঙখলভাবে নিকা নেন সর্বস্তরের মানুষ। প্রথম দফায় এ জেলায় দেয়া হচ্ছে ৩ লাখ ২৪ হাজার ডোজ টিকা।
এদিকে, নারায়ণগঞ্জ সদরে দুটি সরকারী হাসপাতাল’সহ চারটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা ভ্যাকসিন টিকা প্রদান করা হয়। মুন্সীগঞ্জ ৬ উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ‘কোভিড-১৯’ ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হচ্ছে। এছাড়া গোপালগঞ্জে করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রমের এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪৪৭ জন রেজিস্ট্রেশন করেছেন। সকালে থেকেই টিকা নেয়া শুরু হয়।
অন্যদিকে, খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ১৭৭টি কেন্দ্রে দেয়া হয় করোনা ভ্যাকসিন। বগুড়া সদরের চারটি কেন্দ্রসহ বাঁকি এগারো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্রে একযোগে কোভিড-১৯ টীকা দেয়া হয়। এ পর্যন্ত ১০ হাজার ৮শ জন টিকা গ্রহনের তালিকাভুক্ত হয়েছেন। প্রথম পর্যায়ে জেলায় মোট টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৮ হাজার।
ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলা টিভি



