ভাষা সৈনিক গোলাম মোস্তফার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আজও মেলেনি

মাদারীপুরের ভাষা সংগ্রামী গোলাম মোস্তফা রতনের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আজও মেলেনি। ফলে হতাশা বিরাজ করছে তার পরিবারসহ জেলাবাসীর মাঝে। এদিকে, ভাষা আন্দোলনের ৬৯ বছরেও, পটুয়াখালীর ভাষা সৈনিকরা সরকারের কোন সহযোগিতা না পাওয়ায়, চরম আক্ষেপ আর হতাশা তাদের পরিবারের মাঝে। শুধু জেলায় শহীদ স্মৃতি পাঠাগার নির্মাণ করা হয়েছে।
৬৯ বছর পরও মাদারীপুরের ভাষা সংগ্রামী গোলাম মোস্তফা রতনের হয়নি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। ১৯৪২ সালে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের কারনে কারাভোগ এবং পরে মায়ের ভাষাকে গ্রাস করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে, অগ্রনী ভুমিকা পালন করলেও, আজও পাননি কোন স্বীকৃতি। ৮ বার একুশে পদক পাওয়ার আবেদন করেও না পেয়ে আক্ষেপ নিয়ে,২০১৯ সালের ১৭ জুলাই, ৯৬ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে যান তিনি।
এ ভাষা সৈনিকের স্বীকৃতির দাবি,ভাষা সৈনিক গোলাম মস্তফা রতনের ছেলে ও জেলাবাসীর।যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জানানোর কথা বলেন,জেলা প্রশাসক
বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনে পটুয়াখালীর ভাষা সৈনিকরা শুধু পটুয়াখালীতেই নয়, ঢাকায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বেও রেখেছেন ঐতিহাসিক ভূমিকা। সেসময় পটুয়াখালী ছিলো বরিশাল জেলার অন্তর্গত একটি মহকুমা। আন্দোলনে শহীদদের স্মৃতিচারণে পটুয়াখালীতে শহীদ স্মৃতি পাঠাগার নামে একটি পাঠাগার নির্মাণ করা হলেও, স্বাধীনতার এতো বছরেও ভাষা সৈনিক অসহায় পরিবারের পাশে, সরকারের কোন সহযোগিতা না পাওয়ায়, ক্ষোভ জানিয়েছেন এসব পরিবারের সদস্যরা।
ভাষা আন্দোলনে যারা আত্মাহুতি দিয়েছেন, তাদের পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করার দাবী জানিয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধারা। পটুয়াখালীতে ভাষা সৈনিকদের নামফলকসহ, একটি স্মৃতিস্তম্ব নির্মাণ করার দাবী, ভাষা সৈনিক পরিবারের।
বাংলাটিভি/দেশবাংলা



