দেশবাংলা

আন্তর্জাতিক ও দেশে ক্রমাগত বাড়ছে ‘সবুজ সোনা’ খ্যাত শৈবাল চাষ

প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত সামুদ্রিক শৈবাল ও শৈবালজাত পণ্য একটি পুষ্টিকর খাদ্য। আন্তর্জাতিক বাজার ও দেশে ক্রমাগত বাড়ছে ‘সবুজ সোনা’ খ্যাত শৈবাল চাষ। সবুজ শৈবাল সাধারণত দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে চাষ হলেও,এবার রাজশাহীর তানোর উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ শুরু হয়েছে।পর্যাপ্ত সুযোগ পেলে,পণ্যটি হয়ে উঠতে পারে অন্যতম রপ্তানি পণ্য।

সমুদ্রের পানিতে সুতোর মতো ভেসে থাকে, ক্ষুদ্র শৈবাল স্পিরুলিনা। নীলাভ সবুজ এই শৈবাল সূর্যালোকের মাধ্যমে, দেহের প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন করে। প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ থাকায়, খাদ্য উপাদান হিসেবে তো বটেই,নানা রোগ নিরাময়েও, দেশে বিদেশে রয়েছে, ব্যাপক চাহিদা।

রাজশাহীর তানোর উপজেলার সরকারি আব্দুল করিম সরকার কলেজের প্রভাষক রাকিবুল সরকার পাপুল, বাণিজ্যিকভাবে শৈবাল চাষ শুরু করেছেন। আমশো মোড় এলাকায় সূর্যের আলো প্রবেশ করার মতো, স্বচ্ছ প্লাস্টিক টিনের একটি ঘর তৈরি করেছেন। সেখানে, ১৭ হাজার লিটার পানির কৃত্রিম জলাধার তৈরি কোরে, গত জানুয়ারিতে বীজ হিসেবে, জলাধারে শৈবাল দিয়েছেন তিনি। এ কাজে সহায়তা করা বিজ্ঞানীদের দাবী, দেশে তিনিই কৃত্রিম উপায়ে, বড় আকারে শৈবাল চাষ শুরু করেছেন।

সরকারী সহায়তা পেলে, দেশে এ চাষে আরো নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির পাশাপাশি, বহির্বিশ্বেও, শৈবাল রপ্তানী সম্ভব হবে বলে জানান, উদ্যোক্তা। এ চাষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে, শৈবাল চাষীদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার টাকার সমুদ্রের পানির উপাদান, এ কৃত্রিম জলাধারে দিতে হয়েছে। সব মিলিয়ে, সাড়ে তিন লাখ টাকা খরচ হবে। আগামী চার-পাঁচ মাসের মধ্যে, বিনিয়োগের পুরোটাই উঠে আসবে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তা।

বাংলাটিভি/ডেস্ক রিপোর্ট

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button