বাংলাদেশঅন্যান্য

বসুন্ধরা আইসোলেশন সেন্টারের সরঞ্জাম বিভিন্ন হাসপাতালে

বসুন্ধরা আইসোলেশন সেন্টার গায়েব হয়নি; বরং সেটিসহ আরও ১২টি আইসোলেশন সেন্টারের সরঞ্জাম দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে সরবরাহ করা হয়েছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তৎকালিন পরিচালকসহ, দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসব সরঞ্জাম পাওয়ার কথা  নিশ্চিতও করেছে। বাংলা টিভির অনুসন্ধানে এর সত্যতা মিলেছে।

বসুন্ধরায় নির্মিত ২ হাজার শয্যার আইসোলেশন সেন্টারটি গায়েব হয়ে গেছে- সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা মাধ্যমে এমন তথ্য ভাসতে থাকে।  আর এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নও জন্ম নেয়।

এসব প্রশ্নের জবাব দিতেই বুধবার দুপুরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। জানান, বসুন্ধরাসহ সারাদেশে বন্ধ হওয়া ১২টি আইসোলেশন সেন্টারের সরঞ্জাম সরকারি বিধি মোতাবেক বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বণ্টন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বণ্টনের তালিকা নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে বাংলা টিভি। অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গতবছর করোনা মহামারি শুরুর পর, সারাদেশে ১২টি আইসোলেশন সেন্টার নির্মাণ করা হয়।  এর মধ্যে রাজধানীর বসুন্ধরায় নির্মিত হয় দেশের সর্ববৃহৎ ২ হাজার শয্যার আইসোলেশন সেন্টারটি।

তবে করোনার প্রথম ঢেউ কমে গেলে রোগীর সংখ্যা কমতে থাকে আইসোলেশন সেন্টারগুলোতে। আর তাই ২০২০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর সরকারের পক্ষ থেকে প্রজ্ঞাপণ জারি করে বন্ধ করে দেয়া হয় বসুন্ধরাসহ সব ক’টি আইসোলেশন সেন্টার।একই সঙ্গে, বন্ধ সেন্টারগুলোর সকল সরঞ্জাম ওই মাসেই দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করা হয় ।

সরঞ্জাম বিতরণের তালিকা ধরে প্রথমেই যোগাযোগ করা হয়, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক এবং বর্তমানে মহাখালীর ডিএনসিসি মার্কেট আইসোলেশন সেন্টারের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিনের সাথে। তিনি জানান, শুধু ঢাকা মেডিকেল নয়- ডিএনসিসি মার্কেটের আইসোলেশন সেন্টারেও ওই সরঞ্জামের অনেক কিছুই এসেছে।

দেশের বেশ কয়েকটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করলে, তারাও এই সরঞ্জাম  পাওয়ার কথা জানান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওই সরঞ্জামগুলো বিভিন্ন হাসপাতালে কোভিড রোগীদের চিকিৎসায়ই ব্যবহার হচ্ছে বলেও জানান, তারা।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button