
আগামী মাসের শুরু থেকে চীন এবং রাশিয়া থেকে টিকা আশা শুরু হলে দেশে ভ্যাকসিন নিয়ে যে শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে তা পুরপুরি কেটে যাবে বলে জানিয়েছেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো: মাহবুবুর রহমান। বাংলা টিভিকে একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি একথা জানান। এ সময় টিকা প্রাপ্তি নিয়েও আগামীতে আর কোন জটিলতা থাকবে না বলেও জানান তিনি।
দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনিকা উদ্ভাবিত করোনা ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছে দেড় কোটি ডোজের আগাম টাকা পরিশোধ করে বাংলাদেশ। তাদের দেয়া দু দফায় ৭০ লাখ ডোজ টিকা দিয়ে সফলভাবে দেশব্যাপী চলে টিকাদান কর্মসূচি।
তবে সম্প্রতি ভারতে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় তারা আপাতত টিকা রপ্তানী বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে যায়। ফলে বাকি আরো ৮০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন পেতে দেখা দেয় জটিলতা।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেবে, শুরু থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম ডোজের করোনা টিকা নিয়েছেন ৫৭ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫ জন। চলমান দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ১৬ লাখ ৭৮ হাজার ১৮৯ জনকে। আর টিকার সঙ্কটের ফলে বন্ধ করে দেয়া হয় প্রথম ডোজ টিকা প্রদান।
তবে চীন এবং রাশিয়া থেকে টিকা আসছে বলে জানিয়েছেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো:মাহবুবুর রহমান। এতে করে টিকা নিয়ে চলমান জটিলতার নিরসন হবে বলেও জানান তিনি।
চীন এবং রাশিয়া থেকে যে টিকা আসছে তা অত্যন্ত কার্যকর উল্লেখ করে টিকা প্রাপ্তি নিয়ে আর কোন জটিলতা থাকবে না বলে সবাইকে আশ্বস্ত করেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের এই মহাপরিচালক।তবে টিকা নেয়ার পরেও সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান তিনি।
বাংলাটিভি/শহীদ



