বাংলাদেশঅন্যান্য

চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে, বাম্পার ফলনে খুশি, নওগাঁর কৃষকরা।

চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে অনুকুল আবহাওয়া এবং পোকার আক্রমন না হওয়ায়, বাম্পার ফলনে খুশি, নওগাঁর কৃষকরা। কিন্তু বাড়তি মজুরি দিয়েও মিলছে না শ্রমিক। এতে ধান কাটা এবং মাড়াইয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে তাদের। তবে, করোনা ভাইরাসের কারনে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও, পুলিশের ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন জেলা থেকে আনা হচ্ছে শ্রমিকদের।

শষ্যভান্ডার খ্যাত উত্তরাঞ্চলের জেলা নওগাঁ। দিগন্ত বিস্তৃত সোনালী মাঠ ভরা ফসলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত, চারিদিক। ফসলের মাঠে বাতাসে দোল খাচ্ছে ধানের শীষ। চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায়, ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে, কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত রয়েছেন চাষীরা। এমন দৃশ্য সদর উপজেলার সবচেয়ে বড় ফসলের মাঠ, দিঘলীর বিলে।

বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে অনাবিল হাসি থাকলেও, শ্রমিক সংকটে ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় আছেন চাষীরা। করোনাভাইরাসের কারণে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। বাড়তি টাকা মজুরি দিয়েও মিলছেনা, শ্রমিক।

শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে, ধান কাটা এলাকায় পাঠানো হচ্ছে বলে জানান, জেলা পুলিশ সুপার।

জেলা প্রশাসনের কাছে শ্রমিকের চাহিদা পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন, কৃষি কর্মকর্তা।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে,জেলায় ১ লাখ ৮০ হাজার ৬২৫ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান রোপনের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও, ১ লক্ষ ৮৭ হাজার ৭৬০ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button