দেশবাংলা

খুলনায় এ্যাকুরিয়াম পদ্ধতিতে মাছ চাষে সফল অনেকেই

খুলনায় প্রথম বারের মত এ্যাকোরিয়াম ফিস চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন,হেমায়েত বিশ্বাস নামে একজন মৎস্য উদ্যোক্তা।শিক্ষাকতার পাশাপাশি ডুমুরিয়া উপজেলা মৎস্য দপ্তরের সহযোগিতা নিয়ে এ্যাকোরিয়াম ফিস চাষ করে নতুনভাবে আশার আলো দেখছেন। ইতোমধ্যে ৩ লক্ষাধিক টাকার মাছ বিক্রি করেছেন। প্রতিদিন দৃষ্টিনন্দন বাহারি মাছ দেখতে মানুষ ভিড় করছেন। তার সফলতায় অন্য চাষিরাও এ্যাকোরিয়াম ফিস চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।

খুলনার ডুমুরিয়ার রুদাঘরা গ্রামের স্কুল শিক্ষক,হেমায়েত বিশ্বাস।শিক্ষকতার পাশাপাশি নিজের বাড়িতে হাউজ করে শুরু করেছেন,এ্যাকোরিয়াম মাছ চাষ। যেখানে ২০টি হাউজে প্রায় ৩০ প্রজাতির বাহারি মাছ শোভা পাচ্ছে। চাষিরা যখন বিভিন্ন প্রকার মাছের চাষ করে লসের স্বিকার হচ্ছিলেন। সে সময় ডুমুরিয়া উপজেলা মৎস্য অফিসের পরামর্শে ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম ফেজ-২ প্রকল্পের আওতায় নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য এগ্রিকালচারাল ইনোভেশন ফান্ড-৩ এর আর্থিক প্রায় ৬ লাখ টাকার সহযোগিতায় মাছ চাষ শুরু করেন তিনি।

ইতোমধ্যে ৩ লক্ষাধিক টাকার মাছ বিক্রি করেছেন এবং বর্তমানে হাউজে যে মাছ রয়েছে তা বিক্রি করে বছর শেষে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা আয় হবে বলে জানান,হেমায়েত। প্রতিদিন  নানা জাতের,নানা রংয়ের মাছ দেখতে প্রচুর মানুষের সমাগম ঘটছে তার বাড়িতে। তার এ সফলতায় স্থানীয় চাষিরাও আগ্রহী হচ্ছেন,এ মাছ চাষে।

হেমায়েত বিশ্বাসের মত নতুন উদ্যোক্তারা এগিয়ে এলে এ্যাকোরিয়াম মাছ চাষ মৎস্য সেক্টরে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে মনে করছেন,এ মৎস্য কর্মকর্তা। সরকারিভাবে সহযোগিতা পেলে বাহারি প্রজাতির মাছ চাষের প্রতি আগ্রহী হবেন স্থানীয় চাষিরা।

ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি/ এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button