দেশবাংলাজনদুর্ভোগস্বাস্থ্য

সারাদেশ নয়, অধিক আক্রান্ত এলাকায় লকডাউন জোরদারের পরামর্শ

এদিকে, সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ক্রমশ বাড়ছে ভারতীয় করোনা সংক্রমণের হার। কোথাও কোথাও বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। এজন্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো কঠোর লকডাউনের আওতায় আনা হলেও, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলাচল করছেন অনেকে। এদিকে, রাজশাহী মেডিকেলে আজ আরও ৬ জন করোনারোগির মৃত্যু হয়েছে।

সীমান্ত জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায়, সর্বাত্মক লকডাউন চলমান রয়েছে ১৩ দিনের মতো। যানবহন বন্ধসহ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

নওগাঁ পৌরসভা ও নিয়ামতপুর উপজেলায় চতুর্থ দিনের মতো চলছে লকডাউন। বন্ধ রয়েছে এলাকার বাজার-দোকানপাট।

এদিকে, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ জন রোগির মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দু’জন করোনা পজিটিভ, আর বাকি ৪ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

এছাড়া লকডাউন কার্যকর করার জন্য সাতক্ষীরা জেলার প্রবেশ দ্বারগুলোতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন ও দোকানপাট। জেলায় ১৮টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে।

নোয়াখালীতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পৌরসভাসহ ৬টি ইউনিয়নে লকডাউনের দ্বিতীয় দিন চলছে।  প্রশাসনের তৎপরতা থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি মানছে না অনেকেই।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঠেকাতে খুলনা সদর, খালিশপুর, সোনাডাঙ্গা এবং রূপসা উপজেলায় কঠোর বিধি-নিষেধ চলছে। জরুরি সেবা ছাড়া প্রায় সবকিছুই বন্ধ রয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/ এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button