মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ধরে রাখতে শেরপুরে গড়ে ওঠেছে যাদুঘর

মহান মুক্তিযুদ্ধে শেরপুর জেলার অবদান ও বিশাল গারো পাহাড়ী এলাকায় বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে, গজনী অবকাশ কেন্দ্রে গড়ে তোলা হয়েছে, দুটি পৃথক যাদুঘর। সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের আর্থিক সহায়তায়, আনুষ্ঠানিকভাবে জাদুঘরের উদ্বোধন করা হয়েছে।
দেশের উত্তর সীমান্তজুড়ে অবস্থিত নয়নাভিরাম গারো পাহাড়। এখানে বাস করেন, প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক বাঙালী,হিন্দু,গারো,কোচ,ডালু,বর্মণ ও হাজং। শেরপুরের গারো পাহাড়ের ঝিনাইগাতীতে, গজনী অবকাশ ও নালিতাবাড়ীর মধুটিলায় ইকো পার্ক নামে দুটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। সারা বছরই দেশি-বিদেশী হাজারও দর্শনার্থী আসেন এ কেন্দ্র দুটিতে। আর এসব পর্যটকদের সামনে বঙ্গবন্ধু,মুক্তিযুদ্ধ ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে, জেলা প্রশাসনের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছে, বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর।
বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের দূর্লভ ছবি,মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত ইতিহাস,শহীদদের ছবিসহ, দেশ অর্জণের ইতিহাসের নানারকম ছবি প্রদর্শিত হয়েছে। এতে খুশি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।
এসব দেখে নতুন প্রজন্ম ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠির ঐতিহ্য,সাংস্কৃতিক পোষাক,তাদের ব্যবহৃত আসবাবপত্র, ছবি ও ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে।
গারো পাহাড়ের গজনী অবকাশে, “মুক্তিযুদ্ধ এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির” জাদুঘর নির্মিত হওয়ায়, পর্যটকদের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্রসারিত হবে ব্যাবসা বাণিজ্য ।
সীমান্তের গারো পাহাড়ের আশপাশে ৯টি নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর বসবাস। তাদের রয়েছে একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান।
ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি/ এস



