পালন করা কোরববানির গরু বিক্রি নিয়ে উদ্বিগ্ন খামারিরা

করোনাকালিন লালন-পালন করা কোরববানির গরু বিক্রি নিয়ে উদ্বিগ্ন, সিরাজগঞ্জের খামারীরা। ঈদের মাস খানেক বাকি থাকলেও মিলছেনা পাইকার। সময় মতো ও ন্যায্যমূল্যে পশু বিক্রি করতে না পারলে, বড়ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বেন তারা। গত বছরের শিক্ষা নিয়ে এবার নানা মুখি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানায়,প্রাণী সম্পদ বিভাগ।
সিরাজগঞ্জে দেশীয় জাতের গরু মোটা-তাজাকরণ কোরে কোরবাণির হাটে বিক্রি করেন খামারীরা। অনেকেই এটি মূল পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। প্রতিবছর স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে, অর্থেক গরু বিক্রি হয় দেশের অন্যান্য জেলায়। সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার দিয়ে লালন-পালন করা, জেলায় উদপাদিত গরুর চাহিদাও রয়েছে দেশ জুড়ে। অন্যান্য বছর ঈদের দু’মাস আগে থেকেই, ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার পাইকাররা, খামারে এসে গরু কিনে রাখেন।
গত বছর করোনার ভয়াল থাবায় পাইকাররা আসতে পারেনি। হাটেও তেমন ক্রেতা না থাকায়, কম দামে বিক্রি করতে হয়েছে অনেকের গরু। ফলে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অনেক খামারী। এবছর কোরবাণির ঈদের আর মাস খানেক বাকি থাকলেও, একই অবস্থা দেখছেন খামারিরা। নায্য মুল্যে গরু বিক্রির ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তাদের।
প্রাণী সম্পদ বিভাগের তথ্য মতে,জেলায় ছোট-বড় খামার রয়েছে ১৭ হাজার। যেখানে কোরবাণির জন্য মোটা-তাজাকরণ গরুর সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। গতবার থেকে শিক্ষা নিয়ে, এবছর নানা উদ্যোগ নেয়ার কথা জানান,প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা।
করোনা কালিন সময়ে দ্রুত বিশেষ ব্যবস্থায় কোরবাণির পশু বিক্রির উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন,জেলার সুশিল সমাজ।
ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি/এস



