
কঠোর লকডাউনে, জেলায় জেলায় আইনশৃংখলা বাহিনীর তৎপরতার পাশাপাশি চলছে সেনাবাহিনীর টহলও। অযথা কেউ বাইরে বের হলেই, জেরাসহ বিভিন্নক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। এদিকে, রাজশাহী ও খুলনা অঞ্চলে আরো বেড়েছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা।
মহামারী করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশে আজ ভোর ৬টা থেকে শুরু হয়েছে কঠোর লকডাউন। সরকারি বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নে কেবল জরুরি সেবা ছাড়া বন্ধ রয়েছে পরিবহন, দোকানপাট,বাজারঘাটসহ প্রায় সবকিছুই। তবে সড়কে পন্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন ছোট আকারের যান বাহন চলাচল করছে।

কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে বিভিন্ন জেলায় সড়কে টহল দেয়া সেনাবাহিনী। এছাড়া বিজিবি,র্যাব ও পুলিশ সদস্যরাও চেকপোস্টগুলোতে কড়া নজরদারিতে রয়েছেন।
বিনা প্রয়োজনে কেউ বাইরে বের হলে তাদেরকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অনেকক্ষেত্রে আটক কিংবা জরিমানাও করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এদিকে চলাচলে কঠোর বিধি-নিষেধে সাভার ও আশুলিয়ায় গার্মেন্টস শ্রমিকরা পড়েন চরম দুর্ভোগে। তৈরি পোশাক কারখানা কর্তপক্ষ শ্রমিকদের যাতায়াতের গাড়ি না দিতে পারায় শ্রমিকরা পায়ে হেটেই অনেকেই কর্মস্থলে যোগদান করেছেন। অনেকে আবার বাড়তি ভাড়া দিয়ে ভ্যানে অথবা রিকসায় করে কারখানায় যাচ্ছেন গাদাগাদি করে। এতে করে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গত ২৪ ঘন্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ড ও আইসিইউতে আরও ২২ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৫ জন পজেটিভ এবং ১৬ জনের উপসর্গ রয়েছে। খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্র জানায়,গত ২৪ ঘন্টায় খুলনায় ৪ জন, বাগেরহাট ১ জন,সাতক্ষীরা ৪ জন,যশোর ৭ জন, নড়াইল ৩ জন, ঝিনাইদহ ৪ জন, কুষ্টিয়া ৭ জন, চুয়াডাঙ্গা ২ জন, মেহেরপুরে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত জানান,গত ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে চারজন ও উপসর্গ নিয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে,টাঙ্গাইলে উপসর্গ নিয়ে ৯ জনসহ করোনায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়াও নতুন করে আরো ২৫৭ জন ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/ এস



