দেশবাংলা

চাঁদপুরে পতিত জমিতে মাল্টা চাষে ভাগ্য পরিবর্তন

চাঁদপুরে পতিত জমিতে মাল্টা চাষে ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্ন বুনছেন এক কৃষক। ব্যাপক ফলন হওয়ায় ভালো লাভের আশা করছেন তিনি। ইতোমধ্যে অনেকেই মাল্টার বাগান তৈরিতে আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি অধিদপ্তর থেকে চাষিদের উদ্বুদ্ধকরণের পাশাপাশি, নতুন উদ্যোক্তাদের বাগানটি প্রদর্শনীর আওতায় আনা হচ্ছে।

চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নের লোদের গাঁও গ্রামের কৃষক, মোহাম্মদ ইউসুফ পাঠান। দুইযুগ ধরে তার ৩৩ শতক জমি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। ২০১৮ সালে কৃষি অফিসের পরামর্শক্রমে পতিত ডোবাতে বালি মাটি ফেলে, সার, কীটনাশক ও লেবারসহ প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ করে জায়গা প্রস্তুত করেন তিনি। পরে কৃষি অফিস থেকে প্রাপ্ত NATP–২ প্রকল্পের বারি মাল্টা-১ প্রদর্শনীর ১৩০ টি মালটা গাছ দিয়ে শুরু করেন।

২০১৯ সালে মাল্টার ফুল এলেও ভালো ফলনের আশায় তা কেটে দেয়। আর ২০২০ সালে পরিক্ষামূলক কিছু ফুল রাখলে, তাতে মাল্টার ফলন ভালো হয়। যা বিক্রি করে কিছুটা খরচ মেটান তিনি। এবছর বাগানে মাল্টার বাম্পার ফলন হয়েছে।

ইতোমধ্যে আশপাশের অনেকেই নিজেদের পরিত্যক্ত জায়গা ভরাট করে, এমন একটি বাগান তৈরির স্বপ্ন দেখছেন। কৃষি বিভাগ বলছে খরচের তুলনায় অধিক লাভবান হওয়ায়, মাল্টা চাষে দিনিদিন আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।

চাষীদের মাল্টা চাষে উদ্বুদ্ধ করতে, বিভিন্ন উপজেলা থেকে বাগানটি প্রদর্শণের ব্যবস্থা করছে, কৃষি অধিদপ্তর।

বাংলা টিভি/ এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button