বানিজ্য সংবাদদেশবাংলা

শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে দেশের বিভিন্ন জেলার পশুর হাট

শেষ মুহুর্তে ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাক-ডাকে জমে উঠেছে দেশের বিভিন্ন জেলার পশুর হাট।তবে হাটের ভেতরে স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই নেই। করোনা পরিস্থিতিতে কিছুটা কম দামে পশু কিনতে পেরে খুশি ক্রেতারা।অপরদিকে বিক্রেতাদের দাবি,পশুপালনের খরচ ওঠাতে পারছেন না অনেক খামারী।হাটে নিরাপত্তার নিশ্চিতে প্রশাসনের পাশাপাশি সেচ্ছাসেবক দলও কাজ করছে।

ঈদকে সামনে রেখে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে রাজশাহী অঞ্চলের সবচেয়ে বড় সিটি পশুর হাট।তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোন তোয়াক্কাই করছেন না কেউ।ক্রেতারা বলছেন দাম তুলনামূলক বেশি,তবে খামারিদের দাবি ভিন্ন।দুপক্ষের দরকষাকষিতে জমে উঠেছে কেনা-বেচা।হাটের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে মোতায়েন করা রয়েছে অতিরিক্তি পুলিশ ।

মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমে ধবল বা সাদা গরু পালনের ঐতিহ্য ২শ বছরের পুরানো। এই এলাকার গরু মুন্সীগঞ্জের কোন হাটে বিক্রি হয় না। কোরবানী উপলক্ষ্যে মাত্র এক সপ্তাহের জন্য ঢাকার রহমতগঞ্জ মাঠে এই গরুর হাট বসে। ভারতের উড়িষ্যা,জঙ্গলি,নেপালী, ভুটানের বুট্টি জাতের বাছাই করা সাদা গরু মিরকাদিমে লালন পালন করে কোরবানীর হাটে বিক্রি করা হয়। একেকটি গরু ৮০ হাজার থেকে ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মুল্য হাকাচ্ছেন খামারিরা।

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শফিউল বর খোকন,পেশায় সরকারী চাকুরীজীবি হয়েও গরুর খামার করে আয় করছেন লাখ লাখ টাকা।কোরবানীর ঈদ সামনে রেখে তার খামারে ফ্রিজিয়ান,শাহিওয়াল,দেশী ক্রস ও ব্রাহামা জাতের ৬০টি গরু দেশী খাবার খাইয়ে প্রস্তুত করেছেন।প্রতিবছর কোরবানির ঈদে গরু বিক্রি করে ৮-১০ লক্ষ টাকা আয় করেন।এবারও ভাল দামের আশা করছেন তিনি।

কোরবানির পশুর ন্যায্য দাম পেলে করোনা মহামারির ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে জানান খামারিরা।

ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি/এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button