দেশবাংলা

সিলেটে বারান্দা বাগান করে সাড়া ফেলেছেন এক গৃহিনী

সিলেটে বারান্দা বাগান করে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন এক গৃহিণী। তিনি অবসর সময় কাজে লাগিয়ে, বারান্দাকে সবুজ দিয়ে ভড়িয়ে তুলেছেন। তার শখের এই বারান্দায় স্থান পেয়েছে, মণিপুরীদের ব্যবহৃত মসলা উদ্ভিদ। আছে গাছভর্তি নাগা মরিচ। সবজির চাহিদাও মেটাচ্ছে এই বারান্দা বাগান। তিনি নিজের তৈরি জৈব সার ব্যবহার করেন গাছে। আর তাকে সহযোগিতা করেন স্বামী।

টবের এই গাছে ঝাঁকে-ঝাঁকে এসেছে নাগা মরিচ। তৃতীয় কিস্তিতেও প্রায় ৫ শ মরিচ ধরেছে এই গাছে। বারান্দায় সবুজ পাতায় উঁকি দিচ্ছে টকটকে লাল মরিচ। এটি নেন্নাম পাতা। মণিপুরীরা পেঁয়াজ-রসুনের বিকল্প হিসেবে খেয়ে থাকেন। চীন ও থাইল্যান্ডে এই পাতা বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়। পাতায় ভরে গেছে পুঁই শাকের গাছটা। আছে মিষ্টি আলু ও কলমি শাক। আর সবজির চাহিদা মেটাচ্ছে এই বারান্দা বাগান। বলছি সিলেটের গীতা রাণী শর্ম্মার বারান্দা বাগানের কথা।

তার বাগানে আছে,পুদিনা,আদা,তুলসী,এলোভেরা,ঔষধী টক পাতা,পাতাবাহার ও কয়েক ধরনের ফুলের গাছ।চায়ের ছোবরা,চাল ধোয়ার পানি, সবজির খোসা, ডিমের খোসা জমিয়ে তৈরি জৈব সার ব্যবহার করেন গীতা। বারান্দার অধিকাংশ টবই কেনা নয়,প্লাস্টিকের ফেলনা কন্টেইনার।

পরিকল্পিতভাবে বারান্দা বাগান করে অনেকেই লাভবান হতে পারেন। বারান্দায় দ্রুত বর্ধনশীল সবজি চাষ করা যেতে পারে। তবে,কোনো কীটনাশক ব্যবহার করা যাবে না বলে জানালেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।

এই দম্পতি মনে করেন,বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন অক্সিজেন। তাই মানুষের প্রকৃতির সঙ্গে মেলবন্ধনের ওপর গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।

বাংলাটিভি/ এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button