বাংলাদেশজনদুর্ভোগ

তেল-চিনিসহ নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস

প্রতিনিয়ত ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে যাচ্ছে ভোজ্যতেল, চিনিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম। ব্যবসায়িরা অযুহাত, বাড়তি দামে এসব পন্য কিনতে হয় বলেই বিক্রির দরও বেশি। তবে ক্রেতারা বলছেন, সঠিক মনিটরিংয়ের অভাবেই অস্থিতিশীল হচ্ছে বাজার। এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে মাছ, মুরগি ও ডিমের দাম। সবজির দাম অপরবির্তিত।

প্রতিদিনের রান্নার অপরিহার্য উপদান তেল। দ্রব্যটির দাম কেবল বাড়ছেই। তেলের দাম কমার কোন লক্ষণ না থাকায় নাভিশ্বাস উঠেছে রোজকার বাজার সদাই করতে গিয়ে। সেইসাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চিনির দামও। এর কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলছেন, কোম্পানি থেকে কেনা দামই বাড়তি পড়ছে।

অন্যদিকে ক্রেতারা মনে করেন, কঠোর মনিটরিং না থাকায় ভোজ্যতেলের মুল্যবৃদ্ধির লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না।

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি মোটা চালের দাম কিছুটা কমেছে। ব্যবসায়িরা জানান, ভারত থেকে চাল আসায় বাজারে দাম বৃদ্ধির কোন প্রভাব নেই।  অন্যদিকে সরকারের কাছে ক্রেতাদের দাবি যেন বাজারে যথাযথ  নজর রাখা হয়।

চলতি সপ্তাহে, ইলিশের বাজার যেন আরো উত্তপ্ত। সেইসাথে আমদানি কম থাকায় মিঠাপানির অন্যান্য মাছের দামও বেড়েছে। এদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে আরেক দফা। এছাড়া, কাঁচাবাজারে বাজারে বিভিন্ন সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button