দেশবাংলা

ঝালকাঠির ভাসমান পেয়ারা বাজারে পর্যটকের উপচে পড়া ভিড়

মৌসুম শেষেও ঝালকাঠির ভাসমান পেয়ারা বাজারে পর্যটকের উপচে পড়া ভিড়।বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে।তবে করোনার স্বাস্থ্যবিধি চরমভাবে উপেক্ষিত হচ্ছে সেখানে।এদিকে,জেলা প্রশাসক বলছেন,স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

মূলত জুলাই এবং আগস্ট এই ২ মাস পেয়ারার ভরা মৌসুম।এখন মৌসুম শেষে অল্পসংখ্যক পেয়ারা নিয়ে ভাসমান বাজার বসছে,ঝালকাঠির ভীমরুলি গ্রামের ভীমরুলি খালে।পেয়ারা মৌসুম শেষ হলেও,পর্যটকদের আনাগোনা কমেনি।বিশেষ করে সপ্তাহের শুক্র ও শনিবার ছুটির দিনে।

ভাসমান পেয়ারা বাজারকে ঘিরে পর্যটনে কোন প্রকার স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছেনা।আগন্তুকরা ঘুরছেন,মুখে মাস্ক ছাড়াই।নৌকায় কিংবা সড়ক পথে সামাজিক দূরত্ব উপেক্ষিত হচ্ছে।টুরিস্ট পুলিশের ব্যবস্থা না থাকায়, বিশৃঙ্খলাও রয়েছে।আর স্বাস্থ্যবিধি না মানার ব্যাপারে পর্যটকদের অযুহাতের শেষ নেই।

জেলা প্রশাসক জানান,পর্যটনে কোন প্রকার নিরুৎসাহিত না কোরে,নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করা হবে।

ঝালকাঠি সদর উপজেলার কীর্তিপাশা ইউনিয়নের ২০টি গ্রামে, প্রাচীনকাল থেকে পেয়ারা চাষ হয়ে আসছে।আর ভাসমান এই পেয়ারা বাজার দেখতে প্রতিবছর দেশী বিদেশী অসংখ্য পর্যটকের মিলনমেলায় পরিণত হয় এই গ্রামটিতে।

ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি/ এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button