fbpx
বিশ্ববাংলাবাংলাদেশ

মানবপাচার আইনের অপপ্রয়োগ বন্ধের দাবি

মানবপাচার আইনের সাথে অভিবাসন আইনের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। আর বিএমইটির মহাপরিচালক শহীদুল আলম বলেন, রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মানবপাচার আইনে মামলা দেয়া হয়, অথচ তারা জানেন না কিছুই ।  এমন বাস্তবতায় মানবপাচার আইনের অপব্যহার থেকে মুক্তি চাচ্ছেন রিক্রুটিং এজেন্ট মালিকরা।

অবৈধভাবে মৃত্যুকে হাতে নিয়ে সমুদ্র পথটা ভালভাবে পাড়ি দিতে পারলেই যেন পরিবার থেকে অভাব নামক এ শব্দটা বাদ দেয়া যাবে। প্রতিবছরই এমন বিশ্বাস নিয়েই মৃত্যুকে পরোয়া না করে সমুদ্র পথে উন্নত জীবনের লক্ষ্যে ইউরোপ পাড়ি জমাচ্ছেন হাজারো মানুষ। ট্রলারডুবিতে মৃত্যু, আটক কিংবা অপরাধীদের মুক্তিপণ দাবির পর মুলত সামনে আসে মানবপাচারের বিষয়টি। এপর্যন্ত কতজন মানবপাচারের শিকার হয়েছে তার নেই কোন সঠিক পরিসংখ্যান। তাই বছরের পর ধরে বেড়েই চলেছে মানবপাচারের মত অপরাধ।

রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে এই গোলটেবিল আলোচনায়  বলা হয় , রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালিত হয় ২০১৩ সালের অভিবাসন আইন দ্বারা কিন্তু এই খাতে কোন অনিয়মের অভিযোগ উঠলে মামলা করা হয় মানব পাচার আইনে। এটিকে হয়রানিমূলক বলেই মনে করছেন রিক্রুটিং এজেন্ট মালিকরা ।

বিএমইটির মহাপরিচালক শহীদুল আলম বলেন, রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মানবপাচার আইনে মামলা দেয়া হয়, অথচ আমরা কিছুই জানি না। তিনি বলেন, মানবপাচার আইনের অপব্যহার হচ্ছে। এটা সংশোধন হওয়া প্রয়োজন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, মানবপাচার আইনের সাথে অভিবাসন আইনের কোনো সম্পর্ক নেই।

অভিবাসন আইন ২০১৩ থাকার পরেও মানবপাচার আইনের অপব্যবহার করে রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের নানাভাবে হয়রানি, মামলা ও গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে আলোচনায়। এমন পরিস্থিতিতে মানবপাচার আইনের অপপ্রয়োগ থেকে রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা মুক্তি পেতে সরকারের সরকারের সহযোগিতা চাচ্ছেন।

বাংলাটিভি/রাজ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button