
করোনা প্রতিরোধে রোজকার চলাফেরায় মাস্ক পরা বা দুরত্ব মেনে চলার ব্যাপারে এখনো অনেকের মাঝেই রয়েছে উদাসীনতা। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় এরইমধ্যে দেশজুড়ে চলমান বিধি-নিষেধ আরো দু’সপ্তাহ বাড়াতেও হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনসাধারণকে সচেতন করার পাশাপাশি সর্বক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে প্রয়োজনে সরকারকে কঠোর হতে হবে। সচেতন মানুষেরাও মনে করেন, নিজের এবং পরিবারের কথা চিন্তা করে হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই।
করোনার প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা নো মাস্ক নো সার্ভিস। তবে এর বাস্তব চিত্র একেবারে ভিন্ন। নিত্যদিনের জীবনযাত্রায় বেশিরভাগ মানুষই মাস্ক পরে থাকেন না, দূরত্ব মানারও তেমন প্রবণতা নেই। রাস্তা-বাজারঘাটে গা লাগিয়ে ভীড় ঠেলে চলছে মানুষের সাবলীল চলাফেরা।
অনেকেই মাস্ক সাথে রাখলেও সবসময় পরে থাকেন না। আবার, কেন মাস্ক পরছেন না জানতে চাইলে অনেকেরই বিচিত্র অজুহাত।
তবে এর ভীড়-ব্যস্ততার মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মেনেও চলাফেরা করেন অনেক সচেতন মানুষ। তাদের ভাষ্য, বিধি-নিষেধ থাকুক বা না থাকুক, অন্তত পরিবারের সুরক্ষা জন্য হলেও নিজ দায়িত্বেই বাইরে থাকা সময়টায় অবশ্যই মাস্ক পরে থাকা উচিৎ।
এদিকে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা আক্রান্তের এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতে মানুষকে ব্যাপকহারে সচেতন করা যেমন দরকার, তেমনি সর্বত্র বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নে প্রয়োজনে সরকারকে কঠোরও হতে হবে।এছাড়া, করোনাভাইরাসের ক্রমপ্রবাহমান ধাক্কা মোকাবেলায় সবার টিকাগ্রহণের বিকল্প নেই।
বাংলাটিভি/শহীদ



