
দেশের বাণিজ্যিক কেন্দ্র চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, আর বন্দরের প্রাণ কর্ণফুলী নদী। নগরীর ষাট লক্ষাধিকেরও বেশি মানুষের প্রাণস্পন্দন কর্ণফুলী এখন দখল-দুষণে ক্ষতিগ্রস্ত। প্রতিনিয়ত ক্ষতিকর পলিথিন ও বর্জ্যের চাপ। এছাড়া ভূমিদস্যুদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে কর্ণফুলীর পাড়ে। কর্ণফুলীকে বাঁচাতে,সরকারের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করেছেন নগরবাসী।

চট্টগ্রাম বন্দরের ধারক কর্ণফুলী এখন দখল-দূষণে মরণদশায়। প্রতিদিন নগরীর লাখ লাখ টন বর্জ্য পড়ছে নদীতে। বর্জের সাথে পলিথিন আর নানা জঞ্জালে ভরাট হয়ে গেছে নদীর তলদেশ। এতে বিঘ্নিত হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিং। ড্রেজারের সময় বালুমাটির বদলে উঠে আসছে শুধু পলিথিন বর্জ্য।
দেশের বাণিজ্যিক প্রাণপ্রবাহ কর্ণফুলীকে রক্ষায় নদীর দু’পাড় দখল ও দুষণমুক্ত করার দাবি নগরবাসীর।দূষিত পানি ও বর্জ্য ফেলা বন্ধ না হলে কর্ণফুলী নদীর জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাওয়া শঙ্কা করছেন পরিবেশবিদরা।
নিয়মিত অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।কর্ণফুলীকে বাঁচাতে দখল-দুষণ রোধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ চায় চট্টগ্রামবাসী।
বাংলা টিভি, চট্টগ্রাম/ এস



