বাংলাদেশসরকার

দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরন্তরভাবে কাজ করছে সরকার: রাষ্ট্রপতি

সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের মুখে হাসি ফোটাতে নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ।

আজ  বঙ্গভবনে ঈদের নামাজ আদায় করার পর মিডিয়ার মাধ্যমে দেশবাসীর প্রতি ঈদের ফিতরের শুভেচ্ছা জানানোর সময় এ কথা বলেন।তিনি দেশবাসীকে ধনী-গরীব নির্বিশেষে ঈদের আনন্দ সকলের সঙ্গে ভাগাভাগি করে উপভোগেরও আহ্বান জানান।রাষ্ট্র প্রধান আরও বলেন, ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমে সবার মুখে হাসি ফোটানোই হোক এবারের ঈদ-উল-ফিতরে সবার অঙ্গীকার।

রাষ্ট্র প্রধান পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে বঙ্গভবনের দরবার হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মাস্ক পরে ঈদের নামাজ আদায় করেন। রাষ্ট্রপতি সাধারণত রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঐতিহ্যবাহী ঈদের নামাজে অংশ নেন কিন্তু গত দুই বছরের মতো কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে এবারও তিনি জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করতে যাননি।

সকাল সাড়ে ৯ টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গভবন জামে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা সাইফুল কবির ঈদের নামাজ পরিচালনা করেন।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক ও মো. আফজাল হোসেন, এসএসএফ-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মুজিবুর রহমান, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগন, বঙ্গভবনের পদস্থ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ঈদের নামাজে অংশ নেন।

বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি ও অগ্রগতি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।প্রাণঘাতী কোভিড-১৯-এ যারা মারা গেছেন তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এবং সারাদেশের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে করোনা রোগীদের দ্রুত আরোগ্য কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এ ছাড়া, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে একদল বিপদগামী সেনা কর্মকর্তাদের হাতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে নৃশংসভাবে খুন হওয়া জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিদেহী আত্মার শান্তি এবং দেশ ও জনগনের স্বার্থে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।নামাজ শেষে বঙ্গভবনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটান রাষ্ট্রপতি হামিদ।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button