আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ব বেড়েই চলেছে

শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং ও বাইকার গ্যাংয়ের দৌরাত্ব দিন দিন বেড়েই চলেছে। সম্প্রতি আশুলিয়ার হাজী ইউনুস আলী স্কুল এ্যান্ড কলেজের শিক্ষক খুন ও পোশাক শ্রমিক নিহতের ঘটনায় নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ব্যাপারে থানায় হরহামেশা অভিযোগ,সাধারণ ডাইরী ও মামলা হলেও, প্রকৃত অপরাধীরা রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। পুলিশ বলছে,নিয়মিত অভিযান ও মামলা নেয়া হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে। প্রশাসনের আরো বেশী নজরদারীর তাগিদ দিয়েছেন ভুক্তভোগি ও সুধীজনেরা।
রাজধানী ঢাকার অন্যতম প্রবেশদ্বার, শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার গাজীরচট, পলাশবাড়ী, নরসিংহপুর, রুপায়ণ মাঠ,জামগড়া,পল্লীবিদ্যুৎ,জিরাবো, ভাদাইল, জিরানী ও নবীনগর এলাকায়, হঠাৎ করেই, অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে কিশোর গ্যাংয়ের আধিপত্য।
উঠতি বয়সি কিশোর ছেলেরা, একই রকম চুলের কাটিং কোরে ও মোবাইল ফোনে বিভিন্ন এ্যাপসের গ্রুপ খুলে একত্রিত হয়ে, স্কুল,কলেজের সামনে দিয়ে অবিরাম হর্ণ বাজিয়ে মোটরসাইকেল দাপিয়ে বেড়ায়। এছাড়া, পাড়া-মহল্লাসহ ওলি-গলিতে মাদকসেবন কোরে নিরীহ পোশাক শ্রমিকসহ স্কুল কলেজ পড়ুয়া মেয়েদের ইভটিজিং ও নানাভাবে হয়রানী করে থাকে।
এ চক্রের সদস্যরা সংঘবদ্ধ হয়ে, প্রায়ই বিভিন্ন দোকান,মার্কেট ও বাসাবাড়ীতে হামলা কোরে ছিনিয়ে নেয় নগদ টাকা,মোবাইল ও স্বর্ণালংকার। তাদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না চিকিৎসক,নারী,শিশু ও গণমাধ্যমকর্মীরাও।
কিশোর গ্যাং এর অপতৎপরতা রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছে, সচেতন নাগরিক কমিটি।সকলকে সাথে নিয়ে, এই অপতৎপরতা রোধে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার কথা বলেছেন ঢাকা
স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের সঠিক কাউন্সিলিং এর মাধ্যমেই, কিশোর অপরাধ প্রবণতা কমতে পারে বলে মনে করেন, এই বিশেষজ্ঞ।
বাংলাটিভি/রাজ



