বিএনপির আন্দোলনের হুমকিতে আওয়ামী লীগ ভীত নয়: কাদের

বিএনপির আন্দোলনের হুমকিতে আওয়ামী লীগ ভীত নয় বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) সকালে তার বাসভবনে ব্রিফিংকালে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে বিএনপিই দেশে আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করেছে।
সরকার নাকি দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে, বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সরকার কেন নৈরাজ্য সৃষ্টি করবে। সরকার চায় জনগণের স্বস্তি ও স্থিতিশীলতা।বিএনপি নিজেরা নিজেদের মিছিলে মারামারি করছে। পুলিশের ওপর হামলা করছে, আর দোষ দিচ্ছে আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনকে।
বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালেও মানুষকে শান্তি ও স্বস্তি দেয়নি, এখনও দিচ্ছে না উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির দুঃশাসনের ভয়াবহতা এখনও দেশ ও জাতি ভুলে যায়নি।
স্বাধীনতাবিরোধী উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি আবারও দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। তাদের কথিত আন্দোলনে জনসমর্থন না থাকায় তারা সন্ত্রাসনির্ভর হয়ে পড়েছে।
জনগণের সম্পদ এবং স্বস্তি নিশ্চিতে বিএনপিকে সন্ত্রাস, নৈরাজ্যের পথ পরিহারের আহ্বান জানান কাদের। তিনি বলেন, ‘বিএনপি আরেকটি ওয়ান-ইলেভেনের দুঃস্বপ্ন দেখছে।’
কথা দিয়ে কথা না রাখা বিএনপির রাজনৈতিক চরিত্র এমন দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি নেতারা যা বলেন, করেন তার বিপরীত। নির্বাচন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ভোটাধিকার নিয়ে কথা বলেন, অথচ এর সব কয়টি তাদের হাতে ভূলুণ্ঠিত হয়েছে।তিনি বলেন, ‘বিএনপির দ্বিচারিতা দেশের জনগণের কাছে স্পষ্ট।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও জনমুখী রাজনীতি বিএনপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, ‘তাই বিএনপি অগণতান্ত্রিক পথে ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারা করছে।’
ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি কাকে বলে তা অতীতে প্রমাণ করতে পারেনি তারা। আমরা রাজনৈতিকভাবে সব কর্মসূচি মোকাবিলা করবো।’তিনি বলেন, ‘কর্মসূচিতে সহিংসতার উপাদান যুক্ত হলে তা জনগণের জানমাল রক্ষায় সরকার কঠোরভাবে দমন করবে।’
বিএনপির আন্দোলন মানে সহিংসতা, জনগণের সম্পদে আগুন দেওয়া, তাই তাদের কোনও অপকর্ম আওয়ামী লীগ বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেবে না বলে হুঁশিয়ার করে দেন ওবায়দুল কাদের।
জ্বালানি তেলের দাম কমানো প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘যারা এতদিন অন্ধ সমালোচনা করেছে এখন তাদের মুখ বন্ধ কেন?
বাংলাটিভি/শহীদ



