বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

বাংলাদেশ ও ভারতের চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক করোনা মহামারির সময়েও ম্লান হয়নি। বরং তা আরও দৃঢ় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরটি ছিল অত্যন্ত ফলপ্রসূ। অনেকগুলো বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সমঝোতা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী।
সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি এসব কথা বলেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর দফতরে এই সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ-ভারতের মৈত্রী প্রকৃতপক্ষে রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘এ বন্ধন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আরও দৃঢ় হয়েছে।
বৈঠকের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (দোরাইস্বামী) যুক্তরাজ্যে ভারতের হাইকমিশনারের দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন। তার অবস্থানকালীন ভারত-বাংলাদেশের মৈত্রীর বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সফল একটি ভারত সফর করে এসেছেন; এটি দোরাইস্বামীর মেয়াদে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর এ সফর সফল করার ক্ষেত্রে তার অনেক বড় ভূমিকা ছিল বলেও জানান হাছান মাহমুদ।
তিনি আরও বলেন, এ সফরে অনেকগুলো অর্জন আছে, যেমন- কুশিয়ার নদীর পানি আমাদের পক্ষে প্রত্যাহার অর্থাৎ আমরা নিতে পারবো। ভারতের স্থলভাগের ওপর দিয়ে, ভারতের যেকোনও বন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশের পণ্য তৃতীয় কোনও দেশে রফতানি করা যাবে। যেটির জন্য আমরা বহু বছর ধরে চেষ্টা করছিলাম। আমরা আলাপ-আলোচনার মধ্যে ছিলাম, এ সফরের মধ্য দিয়ে সেটির সুরাহা হয়েছে।এটি একটি বড় অর্জন ও বড় চুক্তি উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এর মাধ্যমে মৈত্রীর বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
এসময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী (বায়োপিক) অবলম্বনে নির্মিত সিনেমা ‘মুজিব: দ্য মেকিং অফ আ নেশন’ প্রসঙ্গেও কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। ভারতের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে।
বাংলাটিভি/শহীদ



