বিজিবিকে আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

পিলখানায় বিজিবি দিবসের অনুষ্ঠানে বিজিবি সদস্যদের কখনো শৃঙ্খলার ব্যাঘাত না ঘটানোর আহ্বান জানিয়ে চেইন অব কমান্ড মেনে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার বাহিনীর সদর দপ্তর পিলখানায় বিজিবি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। ৭২ জন বিজিবি সদস্যকে পদকে ভূষিত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সীমান্তের সুরক্ষার পাশাপাশি বর্ডার গার্ড সদস্যদের মানব ও মাদক পাচার, চোরাচালান বন্ধে কাজ করতে হবে। বাহিনীর শৃঙ্খলা মেনে দায়িত্ব পালন করতে হবে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মতো আর কোনো দুঃখজনক ঘটনা যাতে না ঘটে সে বিষয়ে সজাগ থাকার কথা বলেন সরকার প্রধান।
রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন থেকে কালের পরিক্রমায় এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। এই বাহিনীর ২২৮ বছরের ঐতিহাসিক যাত্রায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি এখন সীমান্ত রক্ষার অতন্ত্র প্রহরী।
বিজিবি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে বার্ষিক কুচকাওয়াজে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। বাহিনীতে বিশেষ কৃতিত্বপূর্ণ ও বিরত্বপূর্ণ অবদান রাখায় এ বছর ৭২ জন বিজিবি সদস্যকে পদক দেন প্রধানমন্ত্রী। বিজিবি দিবসে প্যারেড গ্রাউন্ডে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য প্রেরণা উদ্বোধন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামে এই বাহিনীর অসীম অবদান আছে। ২০০৯ সালে বিদ্রোহের নামে পিলখানায় হত্যাকান্ডের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে বিজিবির সহনশীল ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যুদ্ধ নয়, শান্তি এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে বিশ্বাস করে।
পরে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধসহ আধুনিক নান্দনিক নানা কৌশল তুলে ধরেন। মঞ্চে বসে তা প্রত্যক্ষ করেন সরকার প্রধান শেখ হাসিনা।
বাংলা টিভি/ রাজ



