
প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেভাবে পড়তে হয়নি স্পিন পরীক্ষার মুখে। তবে আসছে ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে খেলতে হবে বাংলাদেশের সাথে, যে দলে আছেন কয়েকজন মানসম্পন্ন স্পিনার। নাজমুল হোসেন শান্তদের বিপক্ষে লড়াইয়ে তাই রিশাদ-মিরাজদের সমীহের চোখেই দেখছে নিউজিল্যান্ড। অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার মনে করেন, বাংলাদেশের স্পিন তাদের পরীক্ষা নেবে।
নানা বাস্তবতায় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশ দলে নেই তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তিনি থাকলে স্পিন আক্রমণে যোগ হত বাড়তি শক্তি। তবে যারা আছেন, সেই মেহেদি হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেনরাও নিজের দিনে হতে পারেন প্রতিপক্ষের বিপদের কারণ। ভারতের বিপক্ষে রিশাদ ছিলেন ভালো ছন্দে। এছাড়াও বাংলাদেশ স্কোয়াডে আছেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। যদিও তার খেলার সম্ভাবনা কমই।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সোমবারের ম্যাচকে সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে স্যান্টনার বিশেষ প্রশংসা করেছেন প্রতিপক্ষের স্পিনারদের। বলেন,“আমরা জানি সাকিব (আল আসান) কোন মাপের খেলোয়াড়। (বাংলাদেশ দলে) সে নেই, তবে তাদের দলে রিশাদের (হোসেন) মত একজন লেগ স্পিনার আছে। আবার (মেহেদি হাসান) মিরাজের মত একজন স্পিনারও আছে। এছাড়া মাহমুদউল্লাহর মত একজন খেলোয়াড় আছে, যে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও ভালো অবদান রাখতে পারে।”
স্যান্টনার মাহমুদউল্লাহর কথা বলার কারণ, ভারত ম্যাচ মিস করলেও অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একাদশে ফেরার রয়েছে জোর সম্ভাবনা। অনেকটা সময় ধরেই বোলিংটা নিয়মিত না করলেও হাত ঘুরিয়ে এখনও বেশ ভালোই অফ স্পিনের স্কিল দেখাতে পারেন ৩৯ বছর বয়সী মাহমুদউল্লাহ। ইনিংসের মাঝপথে তার স্পিন প্রায়ই রাখে কার্যকর ভূমিকা।
তবে মাহমুদউল্লাহর দলে আসা মূলত বাড়িয়ে দেবে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের শক্তি। ভারতের বিপক্ষে মাত্র ৩৫ রানে হারানোর পর তাওহীদ হৃদয় ও জাকের আলি অনিকের ১৫৪ রানের জুটিতে লড়িয়ে পুঁজি পেয়েছিল বাংলাদেশ।
সার্বিকভাবেই তাই দল হিসেবে বাংলাদেশকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না স্যান্টনার। “সবশেষ ম্যাচে (তাওহীদ) হৃদয় ও জাকের আলি অনিক দারুন ব্যাটিং করেছে। তাই শুধু বোলিংই নয়, তারা ব্যাটিং দিয়েও আমাদের চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে।”



