বাংলাদেশ

সিসিটিভিতে মিলল প্রমাণ, ৩০ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্বারপ্রান্তে। রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) এই অকুতোভয় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় রাষ্ট্রপক্ষের (প্রসিকিউশন) আইনি যুক্তিতর্ক উপস্থাপন আজ শেষ হয়েছে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ শুনানির তৃতীয় ও শেষ দিনে প্রসিকিউশন পক্ষ ঘটনার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ প্রদর্শন করে। ভিডিওটি পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে দেখানো হয় যে, ১৬ জুলাই বেরোবি ক্যাম্পাসের মূল ফটকে আসামিদের অবস্থান এবং ভূমিকা কী ছিল। প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম দাবি করেন, এই ফুটেজেই আসামিদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়েছে। এর ভিত্তিতে তৎকালীন উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ ৩০ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করা হয়েছে।

বিচারক প্যানেলে রয়েছেন মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষ হওয়ার পরপরই আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো আসামিপক্ষে যুক্তিতর্ক শুরু করেছেন। তিনি সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামসহ তিনজনের পক্ষে আইনি লড়াই চালাচ্ছেন।

বর্তমানে ৬ জন আসামি কারাগারে রয়েছেন এবং তারা আজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ২৪ জন আসামি এখনও পলাতক।

জুলাই বিপ্লবের এই গুরুত্বপূর্ণ মামলাটি গত কয়েক মাসে দ্রুত গতিতে এগিয়েছ। আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন। এবং প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে এখন রায়ের পূর্ববর্তী ধাপে অবস্থান করছে মামলাটি।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার এই ঐতিহাসিক বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আপনার কি আরও কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা কোনো আইনি ব্যাখ্যা জানার প্রয়োজন আছে? আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button