কুখ্যাত ‘মিং’ পরিবারের সকলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল চীন

মিয়ানমারে অনলাইন প্রতারণা ও মাফিয়া সাম্রাজ্যের পতন: চীনের কঠোর সাজা
মিয়ানমারের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা কুখ্যাত মিং পরিবারের ১১ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে চীন। দেশটির ঝেজিয়াং প্রদেশের একটি আদালত এই রায় দেন। বছরের পর বছর ধরে চলা অনলাইন প্রতারণা, পাচার এবং খুনের মতো গুরুতর অপরাধের দায়ে তাদের এই সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হলো।
এক সময় দরিদ্র সীমান্ত শহর লাউক্কাইং-কে এই পরিবারটি রূপ দিয়েছিল অন্ধকার জগতের রাজধানীতে। তাদের অপরাধের গভীরতা ছিল আঁতকে ওঠার মত। ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই চক্রটি অনলাইন স্ক্যাম ও জুয়ার মাধ্যমে প্রায় ১০ বিলিয়ন ইউয়ান (১.৪ বিলিয়ন ডলার) আত্মসাৎ করে।
হাজার হাজার মানুষকে পাচার করে স্ক্যাম সেন্টারে আটকে রাখা হতো। কাজ করতে অস্বীকার করলে চলত অমানবিক নির্যাতন ও মারধর।
চীনা আদালতের তথ্যমতে, এই চক্রের হাতে অন্তত ১৪ জন চীনা নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।
২০২৩ সালে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর জোট ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ লাউক্কাইং দখল করে নিলে মিং পরিবারের আধিপত্য ধূলিসাৎ হয়। পরবর্তীতে বিদ্রোহীদের হাতে আটক হওয়া সদস্যদের চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। উল্লেখ্য যে, পরিবারের মূল হোতা মিং শুয়েচাং গ্রেফতার এড়াতে আগেই আত্মহত্যা করেছিলেন বলে জানা যায়।



