অপকর্মে জড়ালে ভবিষ্যৎ অন্ধকার: জামায়াত আমির

নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও আগামী নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রেখেছেন।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যারা ক্ষমতায় আসার আগেই চাঁদাবাজি ও নানা অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে, তাদের হাতে সাধারণ মানুষ কখনোই নিরাপদ থাকতে পারে না। বর্তমান আচরণই বলে দিচ্ছে ভবিষ্যতে তারা জনগণের জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
ডা. শফিকুর রহমান একটি দুর্নীতি ও দুঃশাসনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেন। আগামী ১২ তারিখের ভোটকে তিনি ‘সংস্কারের পক্ষে রায়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে ‘হ্যাঁ’ ভোট আজাদি বা স্বাধীনতার প্রতীক। ‘না’ ভোট গোলামি বা পরাধীনতার প্রতীক।
বিগত সাড়ে ১৫ বছরের দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী সবচেয়ে বেশি রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছে। দলের ১১ জন শীর্ষ নেতাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
অসংখ্য নেতাকর্মী গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জামায়াত কোনো ধরনের ‘মামলা বাণিজ্য’ বা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়।
দেশের নারীদের উদ্দেশ্যে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, জামায়াত রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে মা-বোনরা ঘরে এবং কর্মস্থলে শতভাগ নিরাপত্তা পাবেন। নারীর সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় সর্বোচ্চ যোগ্যতা দিয়ে কাজ করবে দল।
তিনি দাবি করেন, ইনসাফ বা ন্যায়ের পক্ষে সারা বাংলাদেশে এখন গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এটি কেবল নোয়াখালীতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষ এখন পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
জেলা আমির ও নোয়াখালী-৪ আসনের প্রার্থী ইসহাক খন্দকারের সভাপতিত্বে সভায় ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বিভিন্ন প্রার্থী ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



