ট্রাম্পকে খুশি করতে ইসরায়েলে গিয়ে নেচেছেন-গেয়েছেন মোদি

যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন সম্পর্কিত নথিপত্রের এক বিশাল ভাণ্ডার সম্প্রতি উন্মুক্ত করেছে দেশটির বিচার বিভাগ। প্রায় ৩০ লাখ পাতা, ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিওর এই বিশাল সংগ্রহে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম আসায় বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
বিবিসি ও জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নথিতে অন্তর্ভুক্ত কিছু ই-মেইলে এপস্টেইন দাবি করেছেন যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী তার কাছ থেকে পরামর্শ গ্রহণ করেছিলেন।
২০১৭ সালে নরেন্দ্র মোদির ইসরায়েল সফরটি মূলত এপস্টেইনের পরামর্শে হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সন্তুষ্ট করার কৌশল হিসেবে এই সফরের পরিকল্পনা করা হয়।
এপস্টেইন তার ই-মেইলে আরও দাবি করেন যে, ইসরায়েল সফরে মোদি গান-বাজনা ও উৎসবে মেতেছিলেন, যা ট্রাম্পকে খুশি করার অংশ ছিল।
এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তবে ভারত সরকার এই দাবিগুলোকে শুরুতেই নস্যাৎ করে দিয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নিয়ে যে দাবি করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং নিন্দনীয়। এই তথ্যের কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই এবং এটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা উচিত।”
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ এই নথি প্রকাশ প্রক্রিয়ায় মোদির নাম জড়ানোকে ভারত সরকার একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার হিসেবে দেখছে। অন্যদিকে, এপস্টেইনের মতো একজন অপরাধীর নথিতে বিশ্বনেতাদের নাম আসায় আন্তর্জাতিক মহলে অস্বস্তি ও আলোচনার ঝড় থামছেই না।



