নারীদের উপর হামলা ইস্যুতে জামায়াতের মহিলা উইংয়ের হুঁশিয়ারি

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে একটি প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি প্রদান করেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল নেসা সিদ্দিকা, সহকারী সেক্রেটারি সাইদা রহমান এবং রাজনৈতিক বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত ডা. হাবিবা চৌধুরী।
নেত্রীরা অভিযোগ করেন যে, সারা দেশে নারী কর্মীদের ওপর পরিকল্পিত হামলা ও ষড়যন্ত্র চলছে। অন্তত ১৫টি স্থানে নারীদের ওপর হওয়া হামলার সচিত্র প্রমাণ তারা কমিশনের কাছে জমা দিয়েছেন।
দেশের অর্ধেক ভোটারই নারী। গত ১৫-১৬ বছর ধরে তারা সঠিকভাবে ভোট দিতে পারছেন না উল্লেখ করে এবার একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরির দাবি জানানো হয়েছে।
মাঠ পর্যায়ে এখনও সব দলের জন্য সমান সুযোগ তৈরি হয়নি বলে তারা দাবি করেন। বিশেষ করে বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানানো হয়।
কোনো ভয়ভীতি বা বাধা দিয়ে নারী ভোটারদের দমানো যাবে না বলে তারা হুঁশিয়ারি দেন। প্রয়োজনে যেকোনো বাধার মুখে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে নেসা সিদ্দিকা জানান, জামায়াতে ইসলামী একটি আদর্শিক সংগঠন হিসেবে নারীর অধিকার ও নিরাপত্তাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ৫৪ বছরে নারী প্রধানমন্ত্রী থাকলেও সাধারণ নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি।
জামায়াতের মজলিসে শুরার উপদেষ্টা কমিটিতে বর্তমানে প্রায় ৪৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধি রয়েছেন।
স্থানীয় নির্বাচনেও নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে এবং তারা মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী।
বিএনপির বিভিন্ন অভিযোগকে ‘অবাস্তব ও ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে জামায়াত নেত্রীরা বলেন, জনসমর্থন দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।



