আন্তর্জাতিক

ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড চান, কারণ এপস্টিন দ্বীপ আর নেই: ট্রেভর নোয়ার খোঁচায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চে ট্রেভর নোয়ার একটি কৌতুককে কেন্দ্র করে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিল ক্লিনটন এবং কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের সাথে নিজের নাম জড়িয়ে রসিকতা করায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রেভর নোয়াকে এক হাত নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে ‘সং অফ দ্য ইয়ার’ পুরস্কার ঘোষণার সময় ট্রেভর নোয়া ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার পুরনো আকাঙ্ক্ষা নিয়ে রসিকতা করেন। তিনি বলেন, এপস্টিনের দ্বীপ যেহেতু এখন আর নেই, তাই বিল ক্লিনটনের সাথে সময় কাটানোর জন্য ট্রাম্পের হয়তো নতুন একটি দ্বীপ (গ্রিনল্যান্ড) দরকার।

এই মন্তব্যের পরপরই ট্রাম্প তার পোস্টে নোয়াকে ‘মেধাহীন বোকা’ এবং ‘ব্যর্থ মানুষ’ বলে আখ্যা দেন।

ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন যে তিনি কখনোই এপস্টিনের দ্বীপে যাননি এবং তার নাম এই তালিকায় আসা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি তার আইনজীবীদের নির্দেশ দিয়েছেন এই ‘মানহানিকর’ বক্তব্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।

সিবিএস চ্যানেলে গ্র্যামির শেষ সম্প্রচার নিয়ে খোঁচা দিয়ে ট্রাম্প একে ‘আবর্জনা’ এবং ‘অযোগ্য অনুষ্ঠান’ বলে মন্তব্য করেন।

জেফরি এপস্টিনের গোপন দ্বীপের নথিপত্রে (এপস্টিন ফাইলস) ট্রাম্প এবং ক্লিনটন—উভয় নেতার নামই একাধিকবার উঠে এসেছে। যদিও তারা দুজনেই কোনো ধরনের অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। নোয়ার কৌতুকটি মূলত সেই বিতর্কিত ফাইলগুলোকেই ইঙ্গিত করেছিল।

এবারের গ্র্যামি কেবল কৌতুক নয়, বরং রাজনৈতিকভাবেও বেশ উত্তপ্ত ছিল। বিলি আইলিশ থেকে শুরু করে ব্যাড বানি—অনেকেই ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি ও বর্ণবাদের সমালোচনা করেছেন। তবে ট্রেভর নোয়া বেশ সাবলীলভাবেই বিষয়টি সামলেছেন। তিনি মজার ছলে মনে করিয়ে দিয়েছেন যে এটিই উপস্থাপক হিসেবে তার শেষ বছর, তাই ট্রাম্পের হুমকি তাকে খুব একটা বিচলিত করছে না।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button