ইনকিলাব মঞ্চ সরিয়ে শেরাটন মোড়ের নিয়ন্ত্রণ নিল পুলিশ

ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীদের সরিয়ে দিয়ে শেরাটন মোড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে পুলিশ। বর্তমানে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল মোড় থেকে যমুনা অভিমুখের সড়ক ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ রাখা হয়েছে। এদিকে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন।
শুক্রবার বিকেলে ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে সংগঠনটির সদস্যসচিব জাবেরসহ কয়েকজন আহত হন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনের মোড়ে জলকামানের পানিতে ভিজে রয়েছে কার্পেট ও কম্বল, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে জুতা। কয়েক শ পুলিশ সদস্য ব্যারিকেড দিয়ে সড়ক পাহারা দিচ্ছেন। শেরাটন মোড় থেকে যমুনামুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং পথচারীদের তল্লাশি করা হচ্ছে। পাশাপাশি কাকরাইল, মিন্টু রোডসহ পুরো যমুনা এলাকায় কড়াকড়িভাবে টহল দিচ্ছে পুলিশ।
অন্যদিকে, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা শাহবাগ মোড়ে সড়ক অবরোধ করে কর্মসূচি পালন করছেন।
এর আগে জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচি ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য, পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীসহ কয়েকজন আহত হন।
সংঘর্ষের পর ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (লজিস্টিকস) হাসান মো. শওকত আলী বলেন, কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, জলকামান ও রাবার বুলেট ব্যবহার করেছে। তবে কোনো গুলির ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, কারওয়ান বাজার বা যমুনার আশপাশে আর কোনো সভা-সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, যমুনা ও আশপাশের এলাকায় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না।



