একটি দল পরিকল্পিতভাবে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে: মাহদী আমিন

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন অভিযোগ করেছেন, দেশের একটি রাজনৈতিক দল পরিকল্পিতভাবে ভোট প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, লক্ষ্মীপুরে ওই দলের নেতাদের মাধ্যমে ভোটের সিল তৈরির ঘটনা এই ষড়যন্ত্রের প্রমাণ। প্রাথমিক তদন্তে প্রিন্টিং প্রেসের মালিক স্বীকার করেছেন যে, জামায়াতে ইসলামী নেতার নির্দেশেই এসব সিল তৈরি করা হয়েছিল। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট, জব্দকৃত আলামত এবং প্রার্থীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার প্রমাণও পাওয়া গেছে।
মাহদী আমিন আরও বলেন, ধর্মীয় চেহারা ব্যবহার করে জাল ভোট দেওয়ার জন্য বিপুলসংখ্যক বোরখা ও নিকাব প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া, বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করা এবং অতিরিক্ত ব্যালট তৈরি করার প্রচেষ্টা সম্পর্কেও তারা তথ্য পেয়েছে।
তিনি ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করেছেন—প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত নারী পোলিং অফিসারথাকা, ভোটারকেমুখ খুলে পরিচয় নিশ্চিত করা, এবং নারী কক্ষে যথাসম্ভব নারী পোলিং এজেন্ট নিয়োগ নিশ্চিত করা।
অভিযোগ আছে, নির্বাচনে পর্যবেক্ষক নিয়োগেও অনিয়ম রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি “পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (পাশা)” উল্লেখ করেছেন, যা দেশে প্রায় ১০,৫৫৯ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগের অনুমোদন পেয়েছে, অথচ বাস্তবে সেখানে একজন কর্মী এবং একটি ছোট কক্ষ রয়েছে। বিএনপি মনে করছে, কিছু পর্যবেক্ষক সংস্থা বিশেষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত যা সুষ্ঠু নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
শেষে মাহদী আমিন নির্বাচন কমিশন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হয় এবং সব রাজনৈতিক দল সমানভাবে অংশ নিতে পারে।



