যুক্তরাষ্ট্রআন্তর্জাতিকএশিয়া

খামেনিকে হ/ত্যাসহ ইরানে ব্যাপক হা/মলার ছক ট্রাম্পের

নতুন করে কূটনৈতিক বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে উত্তেজনা কমেনি। বরং আলোচনা ব্যর্থ হলে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও জোরালো হচ্ছে।

The New York Times-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার উপদেষ্টাদের জানিয়েছেন—প্রাথমিকভাবে সীমিত পরিসরে হামলার পরও যদি তেহরান পারমাণবিক কর্মসূচি পরিত্যাগে রাজি না হয়, তাহলে বৃহত্তর সামরিক পদক্ষেপ বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। এমনকি ইরানের নেতৃত্বকে ক্ষমতা থেকে সরানোর লক্ষ্যেও পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আগামী বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মধ্যে তৃতীয় দফার বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত এড়াতে এটিই হতে পারে শেষ সুযোগ। বৈঠক ভেস্তে গেলে হামলার হুমকি বাস্তবে রূপ নিতে পারে।

হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে ইরান প্রসঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন, সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ এবং হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলস। বৈঠকের বিষয়ে অবহিত একাধিক কর্মকর্তার বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

অন্যদিকে Axios জানিয়েছে, ইরান মার্কিন শর্ত না মানলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং তার ঘনিষ্ঠদের লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনাও বিবেচনায় আসতে পারে।

তবে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে জেনেভার বৈঠকের ফলাফলের ওপর।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button